তুহিন হত্যা: ১০ জনকে আসামি করে মামলা করলেন শিশুর মা

প্রকাশিত: ৩:২০ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ১৫, ২০১৯

তুহিন হত্যা: ১০ জনকে আসামি করে মামলা করলেন শিশুর মা

Manual3 Ad Code

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি : জেলার দিরাই উপজেলায় শিশু তুহিন হাসান (৬) হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মামলা দায়ের হয়েছে। নিহতের মা বাদী হয়ে সোমবার (১৪ অক্টোবর) রাতে ১০ জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা করেছেন।

 

দিরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কেএম নজরুল বলেন, সোমবার রাতে তুহিনের মা বাদী হয়ে অজ্ঞাত ১০ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা করেছেন। ময়নাতদন্ত শেষে তুহিনের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তরের পর রাতেই দাফন করা হয়েছে।

 

এর আগে পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান গমাধ্যমকর্মীদের সামনে নৃশংস হত্যাকাণ্ডের শিকার তুহিনের হত্যাকাণ্ড নিয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে বলেন, প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে পারিবারিকভাবে নৃশংস ও ভয়াবহ হত্যাকাণ্ডের শিকার হতে পারে শিশু তুহিন।

Manual7 Ad Code

 

পড়ুন » সুনামগঞ্জে শিশু তুহিন হত্যায় জড়িত পরিবার!

 

Manual1 Ad Code

কেন তাকে মারা হলো প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কেন তাকে মারা হয়েছে, কীভাবে মারা হয়েছে, কতজন এই হত্যাকাণ্ডে অংশ নিয়েছে সবই আমরা পেয়েছি। তবে তদন্তের স্বার্থে আমরা এখনই সবকিছু বলতে চাচ্ছি না। আটককৃত স্বজনদের মধ্যে ৩-৪ জনের সম্পৃক্ততার কথা তারা স্বীকার করেছেন।

 

Manual2 Ad Code

গ্রামের দীর্ঘদিনের বিরোধ, একাধিক মামলা- সব মিলিয়ে প্রতিহিংসাপ্রসূত এ হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনা করা হতে পারে। নিহত শিশুর দেহে বিদ্ধ ছোরার হাতলে লেখা সোলেমান ও সালাতুল তারা অন্য মামলার আসামি তাদের ফাঁসানোর জন্য নাম লেখা হতে পারে।

 

নিহত তুহিনের বাবাও একটি হত্যা মামলার আসামি হিসেবে আছেন। সব কিছু মিলিয়ে আমরা বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখছি; এখনো জিজ্ঞাসাবাদ অব্যাহত রয়েছে।

 

এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক তুহিনের বাবা আবদুল বছির, চাচা আবদুল মছব্বির, জমশেদ, জাকিরুল, চাচা নাছির উদ্দিন, প্রতিবেশী আজিজুল ইসলাম, চাচি খায়রুননেছা ও চাচাতো বোন তানিয়াসহ সাতজনকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে সুনামগঞ্জে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

Manual2 Ad Code

 

আরও পড়ুন » সুনামগঞ্জে শিশুকে নৃশংসভাবে হত্যা: ছুরিতে দু’জনের নাম

 

ওসি কেএম নজরুল বলেন, আটকদের আদালতে ১৬৪ জবানবন্দি নেয়ার প্রক্রিয়া চলছে। তবে এখনই কিছু বলা যাচ্ছে না। পুলিশ সুপার এ নিয়ে সাংবাদিকদেও সঙ্গে কথা বলবেন।

 

সোমবার সকাল ১০টার দিকে উপজেলার রাজানগর ইউনিয়নের গচিয়া কেজাউড়া গ্রাম থেকে তুহিনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। সে গ্রামের আবদুল বছির মিয়ার ছেলে।

 

হত্যাকারীরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে শিশুটির কান, গলা ও প্যানিশ কেটে পাশবিক কায়দায় হত্যা করে গাছের সঙ্গে ঝুলিয়ে রেখেছে। শিশুটির পেটে বিদ্ধ ছিল দুটি ধারালো ছুরি। শিশুর মরদেহে বিদ্ধ ছোরা দুটির হাতলে সোলেমান ও সালাতুলের নাম লেখা ছিল। এ নাম দুটি নিয়ে শিশু হত্যার রহস্য দেখা দিয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

Manual1 Ad Code
Manual2 Ad Code