রাশিয়ার তেল আমদানিতে যুক্তরাষ্ট্রের ছাড় চায় বাংলাদেশ

প্রকাশিত: ১০:৩৬ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ১, ২০২৬

রাশিয়ার তেল আমদানিতে যুক্তরাষ্ট্রের ছাড় চায় বাংলাদেশ

Manual5 Ad Code

মেইল ডেস্ক:
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতিতে বাজারে অস্থিরতার মধ্যে রাশিয়ার কাছ থেকে জ্বালানি তেল কেনার বিষয়ে বিশেষ ছাড় দিতে যুক্তরাষ্ট্রকে অনুরোধ করেছে বাংলাদেশ।

 

ওয়াশিংটনে বাংলাদেশ দূতাবাস এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, স্থানীয় সময় মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানিমন্ত্রী ক্রিস রাইটের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান এ অনুরোধ জানান। মার্কিন জ্বালানি দপ্তরে এই বৈঠক হয়।

 

একইসঙ্গে রুশ ব্রেন্ট ক্রুড অয়েল বাদ দিয়ে তৃতীয় কোনো উৎস থেকে তেল কেনার বিকল্প নিয়েও আলোচনা করে উভয়পক্ষ।

Manual2 Ad Code

 

জ্বালানি তেলের সরবরাহ ব্যবস্থায় ব্যাঘাত ঘটায় বাংলাদেশ কী ধরনের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করছে, তা বৈঠকে ব্যাখ্যা করেন খলিলুর রহমান।

 

এ সময় পররাষ্ট্রমন্ত্রী রুশ উৎস থেকে ডিজেল এবং অন্যান্য পেট্রোলিয়াম পণ্য কেনার বিষয়ে বিশেষ ছাড় দিতে যুক্তরাষ্ট্রকে অনুরোধ জানান।

 

বাংলাদেশ দূতাবাস বলেছে, আসন্ন সেচ মৌসুমে জ্বালানির অভাবে কৃষকরা যাতে বিরূপ প্রভাবের সম্মুখীন না হয় এবং ফসল উৎপাদন ও খাদ্য নিরাপত্তায় বিঘ্ন না ঘটে, সে প্রেক্ষাপট থেকে এই অনুরোধ জানানো হয়।

 

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, রুশ তেলের ওপর স্বল্প সময়ের জন্য বৈশ্বিক যে ছাড় আগে দেওয়া হয়েছে, তার সুবিধা নিতে পারেনি বাংলাদেশ। কেননা ওই সময়ে বাংলাদেশের পথে কোনো তেলের ট্যাংকার ছিল না।

 

Manual5 Ad Code

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশ যে চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করছে, তা স্বীকার করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানিমন্ত্রী রাইট। এই কঠিন সময়ে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতে বাংলাদেশকে সহায়তার বিষয়ে তার দেশের ‘প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত’ করেছেন।

 

রাইট বলেছেন, বাংলাদেশের অনুরোধ ‘ইতিবাচকভাবে’ বিবেচনা করবে যুক্তরাষ্ট্র। এ ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে তিনি এবং তার দল নিবিড়ভাবে কাজ করবে।

 

Manual8 Ad Code

বৈঠকে বাংলাদেশের জন্য জ্বালানি সমস্যার টেকসই সমাধানের ক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদি সহযোগিতা এবং মার্কিন জ্বালানি কেনা বাড়ানোর বিষয়েও আলোচনা হয়।

 

দেশে আপাতত ‘পর্যাপ্ত’ তেল মজুদ থাকার তথ্য দিয়ে জ্বালানি বিভাগ গত ৩০ মার্চ বলে, হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল আমদানির জন্য ইরানের সঙ্গে কথা বলেছে সরকার। রাশিয়া থেকেও ৬ লাখ টন ডিজেল আনার আলোচনা চলছে।

 

পাশাপাশি ভারত ও ইন্দোনেশিয়া থেকে তেল আনা হচ্ছে৷ সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, নাইজেরিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র থেকেও তেল আমদানির চেষ্টা করার তথ্য দেন জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের যুগ্ম সচিব মনির হোসেন চৌধুরী।

 

(সুরমামেইল/এমকে)

Manual6 Ad Code


সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

Manual1 Ad Code
Manual3 Ad Code