শাহজালাল (রহ.)-এর ব্যবহৃত সামগ্রী জাদুঘর করে সংরক্ষণের নির্দেশ

প্রকাশিত: ১:৫১ পূর্বাহ্ণ, মার্চ ৬, ২০২৬

শাহজালাল (রহ.)-এর ব্যবহৃত সামগ্রী জাদুঘর করে সংরক্ষণের নির্দেশ

Manual3 Ad Code

মেইল ডেস্ক:
সিলেটের হযরত শাহজালাল (রহ.)-এর ব্যবহৃত ঐতিহাসিক সামগ্রী যথাযথভাবে সংরক্ষণ করে মাজার এলাকায় জাদুঘর স্থাপনের নির্দেশনা দিয়েছেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে এসব সামগ্রী বর্তমান অবস্থা থেকে স্থানান্তর বা তৃতীয় পক্ষের কাছে হস্তান্তরের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।

Manual8 Ad Code

 

Manual1 Ad Code

বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) হাইকোর্টের বিচারপতি রাজিক-আল-জলিল ও বিচারপতি আনোয়ারুল ইসলামের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

 

এর আগে, মাজারে আসা দর্শনার্থীদের কথা চিন্তা করে শত শত বছর ধরে হযরত শাহজালাল (রহ.)-এর ব্যবহৃত বিভিন্ন সামগ্রী মাজার প্রাঙ্গণে জাদুঘর করে সংরক্ষণ করার জন্য রিট করেন হাইকোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মুসতাক আহমেদ চৌধুরী।

 

বৃহস্পতিবার শুনানী শেষে গণমাধ্যমকে অ্যাডভোকেট মুসতাক আহমেদ চৌধুরী জানান, শত শত বছর ধরে হযরত শাহজালাল (রহ.)-এর ব্যবহৃত বিভিন্ন সামগ্রী-যেমন তরবারি, খরম, জায়নামাজ, পাতিলসহ আরও কিছু ঐতিহাসিক বস্তু-বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে এবং ব্যক্তিগতভাবে কারও কারও কাছে সংরক্ষিত আছে। ফলে মাজারে আগত ভক্ত ও দর্শনার্থীরা এসব নিদর্শন দেখার সুযোগ পান না।

 

এ পরিস্থিতিতে জনস্বার্থে রিট দায়ের করে আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়। রিটে ১৯৬৮ সালের অ্যান্টিকুইটিজ অ্যাক্ট-এর বিধান উল্লেখ করে বলা হয়, গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক নিদর্শন সরকারিভাবে তালিকাভুক্ত করে (ইনভেন্টরি) যথাযথভাবে সংরক্ষণ করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

 

Manual1 Ad Code

শুনানি শেষে আদালত রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, কেন শাহজালাল (রহ.)-এর ব্যবহৃত সামগ্রীগুলো ১৯৬৮ সালের আইন অনুযায়ী তালিকাভুক্ত করে সংরক্ষণ করা হবে না এবং কেন এ বিষয়ে একটি উপদেষ্টা কমিটি গঠন করা হবে না।

 

এ ছাড়া আদালত অন্তর্বর্তীকালীন আদেশে বলেছেন, বর্তমানে যাদের কাছে এসব সামগ্রী রয়েছে তারা যেন সেগুলো যথাযথভাবে সংরক্ষণ করেন এবং কোনো অবস্থাতেই সেগুলো স্থানান্তর বা তৃতীয় পক্ষের কাছে হস্তান্তর না করেন।

 

Manual2 Ad Code

(সুরমামেইল/এফএ)


সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

Manual1 Ad Code
Manual2 Ad Code