শ্রীমঙ্গলে মোবাইল তুলতে সেপটিক ট্যাংকে নেমে ৪ জনের মৃত্যু

প্রকাশিত: ৭:৪০ অপরাহ্ণ, জুলাই ১০, ২০২৫

শ্রীমঙ্গলে মোবাইল তুলতে সেপটিক ট্যাংকে নেমে ৪ জনের মৃত্যু

Manual5 Ad Code

মৌলভীবাজার প্রতিনিধি :
জেলার শ্রীমঙ্গলে পড়ে যাওয়া মোবাইল তুলতে সেপটিক ট্যাংকে নেমে চারজনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও একজন।

 

বুধবার (৯ জুলাই) ভোররাতে শ্রীমঙ্গলের সীমান্তবর্তী হরিণছড়া চা বাগানের পশ্চিম লাইনে এ ঘটনা ঘটে।

 

নিহতরা হলেন- হরিণছড়া বাগানের উদয় পটনায়েকের ছেলে রানা পটনায়েক (১৭), তার ভাই শ্রাবণ পটনায়েক (১৯), একই বাগানের জহর লাল রবিদাসের ছেলে কৃষ্ণা রবিদাস (১৯) ও লক্ষ্মিন্দর ফুলমালির ছেলে নৃপেন ফুলমালি (২৭)। তারা সবাই হরিণছড়া চা বাগানের চা শ্রমিক পরিবারের সদস্য।

 

এ ঘটনায় আহত রবিন্দ্র বুনার্জী (২০) সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

 

হরিণছড়া চা বাগানের অধিবাসী সবুজ তজু বলেন, বুধবার মধ্য রাতে বাগানের পশ্চিম লাইনের রানা পটনায়েক টয়লেটে গেলে তার মোবাইল ফোনটি সেপটিক ট্যাংকে পড়ে যায়। তখন সে তার ভাই শ্রাবণ পটনায়েককে ডেকে মোবাইল ফোনটি তুলতে সেপটিক ট্যাংকে নামে। কিন্তু সে উঠে না আসলে শ্রাবণও ট্যাংকে নামেন।

 

এরপর সেও উঠে না আসায় বাগানের অপর তিনজন নৃপেন ফুলমালি, কৃষ্ণা রবিদাস ও রবিন্দ্র বুনার্জীও ট্যাংকে নামেন।

 

Manual5 Ad Code

এরা কেউই উঠে না আসলে বাগানের অন্য শ্রমিকরা মিলে দ্রুত তাদের সেপটিক ট্যাংক থেকে তুলে রাত ১টার দিকে শ্রীমঙ্গল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখান থেকে গুরুতর অবস্থায় তাদের মৌলভীবাজার ২৫০ শয্যা হাসপাতালে পাঠানো হয়। তবে বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) সেখানে চিকিৎসক চারজনকে মৃত ঘোষণা করেন।

 

Manual2 Ad Code

মৌলভীবাজার ২৫০ শয্যা হাসপাতালের উপ-তত্ত্বাবধায়ক বিনেন্দু ভৌমিক বলেন, ধারণা করা হচ্ছে সেপটিক ট্যাংকে জমে থাকা গ্যাসের বিষক্রিয়াই তাদের মৃত্যু হয়েছে। তবে ময়নাতদন্তের পর বিস্তারিত জানা যাবে।

 

বিষয়টি নিশ্চিত করে শ্রীমঙ্গল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম (ওসি) বলেন, বুধবার রাত দেড়টার দিকে শ্রীমঙ্গলের হরিণছড়া চা-বাগানে সেপটিক ট্যাংকে পড়ে চারজন মারা গেছেন বলে শুনেছি। এ ঘটনায় আইনি প্রক্রিয়া অব্যাহত আছে।

 

Manual7 Ad Code

(সুরমামেইল/এসএন)

Manual8 Ad Code


সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

Manual1 Ad Code
Manual6 Ad Code