সিলেটে শিশু ফাহিমা হত্যাকাণ্ডে গ্রেপ্তার জাকির বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর

প্রকাশিত: ১২:৫১ পূর্বাহ্ণ, মে ১৬, ২০২৬

সিলেটে শিশু ফাহিমা হত্যাকাণ্ডে গ্রেপ্তার জাকির বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর

Manual1 Ad Code

নিজস্ব প্রতিবেদক:
ফেসবুকে দেওয়া একটি পোস্টকে কেন্দ্র করে সিলেটে চার বছর বয়সী শিশু ফাহিমা আক্তার ধর্ষণচেষ্টা ও হত্যার  ঘটনায় গ্রেপ্তার জাকির হোসেনের বাড়িতে আবারও হামলা ও ভাঙচুর করেছে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী।

Manual8 Ad Code

 

শুক্রবার (১৫ মে) বিকেলে মানববন্ধন শেষে সিলেট সদরের কান্দিগাঁও ইউনিয়নের সোনাতলা গ্রামে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী জাকিরের বাড়িতে হামলা চালায়।

 

Manual5 Ad Code

অভিযুক্ত জাকির হোসেন সিলেট সদর উপজেলার কান্দিগাঁও ইউনিয়নের সোনাতলা গ্রামের বাসিন্দা। নিহত শিশু ফাহিমা তার প্রতিবেশী রইসুল হকের মেয়ে।


।আরও পড়ুন 


স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার জুমার নামাজের পর শিশু ফাহিমার হত্যার বিচারের দাবিতে এলাকাবাসী মানববন্ধন করেন। পরে মানববন্ধন শেষে তারা বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে জাকির হোসেনের বাড়ির দিকে অগ্রসর হন এবং তার বসতঘরের বেড়া, টিনের চাল ও আসবাবপত্র ভেঙে ফেলেন।

 

খবর পেয়ে জালালাবাদ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেন। এ ঘটনায় এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

 

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জালালাবাদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামসুল হাবিব।

 

এদিকে ঘটনার পর গ্রেপ্তার জাকির হোসেনের ভাই জয়নাল আবেদিন জয় ফেসবুকে একটি পোস্ট দেন। পোস্টে তিনি বাড়ি ভাঙচুরের ঘটনায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির অভিযোগ তুলে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন এবং দায়ীদের ভিডিও ফুটেজ দেখে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান। তিনি তাদের ঘরে বিপুল পরিমাণ অর্থ ও মালামাল থাকার কথাও উল্লেখ করেন সেখানে।

Manual1 Ad Code

 

স্থানীয়দের দাবি, ওই ফেসবুক পোস্ট ছড়িয়ে পড়ার পর এলাকায় নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। পরে বিক্ষুব্ধ লোকজন আবারও জাকিরের বাড়িতে গিয়ে দ্বিতীয় দফায় ভাঙচুর চালায়।

 

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, অর্ধশতাধিক লোক মিলে আধাপাকা বাড়ির টিনের চাল ও আসবাবপত্র ভাঙচুর করছে।

 

জালালাবাদ থানার ওসি শামসুল হাবিব বলেন, শুক্রবার বিকেলে মানববন্ধন শেষে এলাকাবাসী গ্রেপ্তার জাকির হোসেনের বাড়িতে গিয়ে ভাঙচুর করেছে। এরআগে গ্রেপ্তারের পর একই বাড়িতে হামলার ঘটনা ঘটেছিল।

 

উল্লেখ্য, গত ৬ মে শিশু ফাহিমা আক্তার নিখোঁজ হয়। পরে ৮ মে তার মরদেহ বাড়ির পাশ থেকে উদ্ধার করা হয়। ১১ মে রাতে পুলিশ প্রতিবেশী জাকির হোসেনকে গ্রেপ্তার করে এবং পরে তিনি হত্যার দায় স্বীকার করেছেন বলে জানানো হয়।

 

সে জানায়- “সিগারেট আনতে ফাহিমাকে দোকানে পাঠিয়েছিল। দোকান থেকে ফেরার পর ফাঁকা ঘরে সে ফাহিমাকে ধর্ষণের চেষ্টা চালায়। এসময় ফাহিমা অজ্ঞান হয়ে পড়লে সে তাকে গলাচেপে হত্যা করে। এরপর দুদিন মরদেহ ঘরে রাখে। গুম করতে না পেরে লাশ বাড়ির পাশের বাঁশ ও নারিকেল গাছের নিচে ফেলে আসে।”

Manual4 Ad Code

 

(সুরমামেইল/এমকে)


সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

Manual1 Ad Code
Manual8 Ad Code