মা ও শিশুর স্বাস্থ্যসেবায় সরকার অগ্রাধিকার দিচ্ছে: সিসিক প্রশাসক

প্রকাশিত: ১১:৫৫ অপরাহ্ণ, জুন ১৬, ২০২৬

মা ও শিশুর স্বাস্থ্যসেবায় সরকার অগ্রাধিকার দিচ্ছে: সিসিক প্রশাসক

Manual8 Ad Code

নিজস্ব প্রতিবেদক:
সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, মা ও শিশুর স্বাস্থ্যসেবায় সরকার অগ্রাধিকার দিচ্ছে। বর্তমান সরকার জনবান্ধব বিভিন্ন সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।

Manual5 Ad Code

 

তিনি বলেন, গর্ভবতী নারী, নবজাতক ও নিম্ন আয়ের পরিবারের কল্যাণে পরিচালিত মা ও শিশু সহায়তা কর্মসূচির সুবিধাভোগীর সংখ্যা বাড়াতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে আরও সক্রিয়ভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে।

 

Manual3 Ad Code

মঙ্গলবার (১৬ জুন) দুপুরে নগরভবনের সভাকক্ষে মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর, সিলেটের আয়োজনে অনুষ্ঠিত ‘মা ও শিশু সহায়তা কর্মসূচির টার্গেট ইন্ডিকেটর ৭.২ (বি) বাস্তবায়নের অগ্রগতি পর্যালোচনা এবং মা ও শিশু সহায়তা কর্মসূচি বাস্তবায়ন নির্দেশিকা-২০২৪’ বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

Manual1 Ad Code

 

Manual2 Ad Code

আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, সরকার মাতৃ ও শিশুর স্বাস্থ্যসেবাকে অগ্রাধিকার দিয়ে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল পর্যন্ত প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে কাজ করছে। স্বাস্থ্যসেবা মানুষের মৌলিক অধিকার এবং তা নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর। মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীন পরিচালিত মা ও শিশু সহায়তা কর্মসূচি দরিদ্র, নিম্ন-মধ্যবিত্ত ও অতিদরিদ্র পরিবারের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

 

তিনি আরও বলেন, একজন মা নিবন্ধনের পর নির্ধারিত সময় পর্যন্ত এ কর্মসূচির সুবিধা ভোগ করেন, যা পরিবারকে সামাজিক ও অর্থনৈতিকভাবে সহায়তা করে। আর্থিক সহায়তার পরিমাণ খুব বেশি না হলেও এটি উপকারভোগীদের জন্য তাৎপর্যপূর্ণ। পাশাপাশি মা ও শিশুর স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে সরকার বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে।

 

সিসিক প্রশানক বলেন, সিটি করপোরেশন এলাকায় মা ও শিশু সহায়তা কর্মসূচিতে নিবন্ধনের সংখ্যা এখনও আশানুরূপ নয়। অনেক ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের ঘাটতির কারণে চূড়ান্ত নিবন্ধনের সংখ্যা কমে যাচ্ছে। আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত নিবন্ধনের সুযোগকে কাজে লাগিয়ে ওয়ার্ড পর্যায়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, ওয়ার্ড সচিব ও সুপারভাইজারদের ব্যাপক প্রচারণা চালাতে হবে। সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে আরও বেশিসংখ্যক উপকারভোগীকে কর্মসূচির আওতায় আনা সম্ভব হবে।

 

তিনি বলেন, এর মাধ্যমে যেমন দরিদ্র পরিবারগুলো উপকৃত হবে, তেমনি সিলেট সিটি কর্পোরেশনও তার দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে পারবে। সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতায় পরিচালিত যেকোনো কর্মসূচি বাস্তবায়নে সিসিক সবসময় মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের পাশে থাকবে।

 

মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক নাজনীন ফেরদাউস মজুমদারের সভাপতিত্বে এবং প্রোগ্রাম অফিসার শামছুন্নাহারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, দেন সিসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রেজাই রাফিন সরকার, সচিব মো. আশিক নূর, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. জাহিদুল ইসলাম, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের প্রোগ্রাম অফিসার মোছা. নাসিমা খাতুন এবং জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির (ডব্লিউএফপি) সিলেট ফিল্ড অফিসের প্রধান মো. মামুনুর রশীদ।

 

কর্মশালায় সিলেট সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন ওয়ার্ডের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, ওয়ার্ড সচিব এবং মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

 

(সুরমামেইল/এমকে)


সংবাদটি শেয়ার করুন
Manual1 Ad Code
Manual3 Ad Code