গোয়াইনঘাটে দুপক্ষের সংঘর্ষে যুবক নিহত

প্রকাশিত: ১২:২২ পূর্বাহ্ণ, জুন ২৩, ২০২৬

গোয়াইনঘাটে দুপক্ষের সংঘর্ষে যুবক নিহত

Manual3 Ad Code

গোয়াইনঘাট প্রতিনিধি:
সিলেটের গোয়াইনঘাটে পূর্ব শত্রুতা ও এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের সংঘর্ষে কামরুল ইসলাম নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও দুইজন।

 

সোমবার (২২ জুন) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার লেংগুড়া গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য বিলাল উদ্দিনের বাড়ির পাশের নদীতীরে এ ঘটনা ঘটে।

Manual5 Ad Code

 

Manual6 Ad Code

নিহতকামরুল ইসলাম (২৭) গোয়াইনঘাটের লেংগুড়া গ্রামের কুতুব আলীর ছেলে।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তাঁর বিরুদ্ধে ডাকাতি ও চুরির একাধিক মামলা রয়েছে। সংঘর্ষে আহত হয়েছেন সাবেক ইউপি সদস্য বিলাল উদ্দিন এবং তাঁর মেয়ে মোছাম্মৎ রোকসানা বেগম।

 

Manual3 Ad Code

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, সাবেক ইউপি সদস্য বিলাল উদ্দিনের অনুসারীদের সঙ্গে কামরুল ইসলামের পক্ষের লোকজনের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ ও আধিপত্য বিস্তার নিয়ে উত্তেজনা চলছিল। এরই জেরে সোমবার দুপুরে উভয় পক্ষ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে মুখোমুখি সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।

 

অভিযোগ রয়েছে, সংঘর্ষের শুরুতেই কামরুল ইসলাম দেশীয় ধারালো অস্ত্র দিয়ে বিলাল উদ্দিনের মেয়ে রোকসানা বেগমকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করেন। এতে তার বাম হাত মারাত্মকভাবে জখম হয়। খবর পেয়ে বিলাল উদ্দিনের সমর্থকরা ঘটনাস্থলে গিয়ে কামরুলের ওপর পাল্টা হামলা চালায়। এ সময় ধারালো অস্ত্রের আঘাতে গুরুতর আহত হয়ে ঘটনাস্থলেই লুটিয়ে পড়েন তিনি।

 

Manual6 Ad Code

পরে স্থানীয়রা উদ্ধার করে তাকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে বিকেল ৩টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

 

নিহতের চাচাতো ভাই আলাউদ্দিন বলেন, আমি ঘটনাস্থলে ছিলাম না। কামরুল কিছুটা উচ্ছৃঙ্খল স্বভাবের ছিল। এ কারণে তার শত্রুও ছিল অনেক। সোমবার দুপুরে তার প্রতিপক্ষের লোকজনই তাকে হত্যা করেছে বলে শুনেছি।

 

অন্যদিকে সাবেক ইউপি সদস্য বিলাল উদ্দিন দাবি করেন, কামরুলসহ কয়েকজন আমার বাড়ির পাশে মেয়েকে পেয়ে দা দিয়ে কুপিয়ে আহত করে। মেয়ের চিৎকার শুনে আমি এগিয়ে গেলে আমাকেও আক্রমণ করা হয়। আত্মরক্ষার চেষ্টা করতে গিয়ে আমিও আহত হই।

 

গোয়াইনঘাট থানার ওসি মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান বলেন, পূর্ব শত্রুতার জেরে দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। গুরুতর আহত কামরুল ইসলামকে হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

(সুরমামেইল/এমএনইউ)


সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

Manual1 Ad Code
Manual8 Ad Code