কানাইঘাটে কিশোর আহাদের হত্যাকারীরা এখনো অধরা, মামলা দায়ের

প্রকাশিত: ১০:৪৩ অপরাহ্ণ, জুলাই ২, ২০২৬

কানাইঘাটে কিশোর আহাদের হত্যাকারীরা এখনো অধরা, মামলা দায়ের

Manual6 Ad Code

নিহত আহাদ আহমদ (১৬)। ফাইল ছবি


কানাইঘাট প্রতিনিধি:
এলাকার চিহ্নিত উঠতি বয়সের অপরাধী সায়েম আহমদ ও তার সহযোগীদের হাতে রোববার (২৮ জুন) নির্মম ভাবে খুন হন কানাইঘাটের দরিদ্র পরিবারের কিশোর আহাদ আহমদ (১৬)।

 

হত্যাকান্ডের ২ দিনপর মঙ্গলবার (৩০ জুন) পৌরসভার উত্তর দলইমাটি গ্রামের নিহত আহাদের চাচা রশিক উদ্দিন ফেড়াই বাদী হয়ে কানাইঘাট থানায় তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।



মামলার আসামিরা হলেন- পৌরসভার রায়গড় গ্রামের এনাম উদ্দিন ভান্ডারীর পুত্র মুল ঘাতক সায়েম আহমদ (২২), ও তার খালু ওয়ার্কসপ মালিক মৃত আব্দুল হাসিমের পুত্র তাজ উদ্দিন তাজু (৪৫) ও ভাগনা জামিল উদ্দিন।

 

মামলায় অজ্ঞাতনামা ২/৩ জনকে আসামি করা হয়েছে। তবে থানা পুলিশ এখন পর্যন্ত মামলার মুল আসামি সায়েমসহ কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি।

Manual5 Ad Code

 

তবে, আসামিদের গ্রেফতারে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছেন কানাইঘাট থানার ওসি আমিনুল ইসলাম।

Manual5 Ad Code

 

Manual1 Ad Code

মামলার আসামীদের মধ্যে উপজেলা সড়কে ওয়ার্কসপ ব্যবসায়ী তাজ উদ্দিন তাজু প্রশাসন পাড়ার একটি বাসায় পরিবার নিয়ে বসবাস করে আসছেন।

 

থানার ওসি আমিনুল ইসলাম বলেন, আহাদ হত্যাকান্ডের ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ আসামীদের গ্রেফতার করতে অভিযান অব্যাহত রেখেছে।

 

Manual4 Ad Code

উল্লেখ্য, রোববার (২৮ জুন) রাতে উপজেলা রোডের তাজ উদ্দিন তাজুর ওয়ার্কশপে কাজ করার সময় দোকানের কর্মচারী আহাদ আহমদকে কথাকাটাকাটির জের ধরে ঘাতক সায়েম একটি স্ক্রুড্রাইভার দিয়ে তার মাথায় আঘাত করে। হামলার সময় সায়েমের সাথে আরো ৩/৪ জনকে সিসি ক্যামেরায় দেখা যায়। আঘাতের পর আহাদকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে কানাইঘাট উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্স প্রথমে ভর্তি করা হয়। রাতে তার শরীরের অবনতি হলে সিলেট ওসমানী হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরদিন সোমবার সকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় কিশোর আহাদ মারা যায়। ময়না তদন্তের পর মঙ্গলবার মাগরিবের নামাজের পর আহাদের নিজ গ্রাম পৌরসভার উত্তর দলইমাটি গ্রামের জামে মসজিদে নামাজে যানাজার পর মহল্লার কবস্থানে তাকে দাফন করা হয়।

 

 

এসময় যানাজার নামাজে অংশ গ্রহণকারীরা পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী মা হারা দরিদ্র আহাদের হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমুলক শাস্তির দাবী জানান। নিহত আহাদ আহমদ তার দুই বোনকে নিয়ে নানার সাথে পৌরসভার মহেষপুর গ্রামে একটি টিনের ভাড়াটিয়া বাসায় বসবাস করত।



এদিকে, কিশোর হত্যাকান্ডের দুইদিনের ব্যবধানে উপজেলায় জাহাঙ্গীর আলম নামে এক যুবককে কুপিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (১ জুলাই) উপজেলার লক্ষীপ্রসাদ পশ্চিম ইউনিয়নের বড়বন্দ ৩য় খণ্ড গ্রামে পারিবারিক বিরোধের জেরে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।

 

নিহত যুবক জাহাঙ্গীর আলম (২৮) বড়বন্দ ৩য় খণ্ড গ্রামের মৃত মোসা মিয়ার ছেলে।

 

অভিযোগ উঠেছে, স্ত্রীকে ফিরিয়ে আনার বিষয়কে কেন্দ্র করে সৃষ্ট বিরোধের একপর্যায়ে ভায়রা ভাই ও তাঁর স্বজনরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে যুবককে গুরুতর আহত করেন। পরে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তাঁর মৃত্যু হয়।

 

(সুরমামেইল/এমআর)


সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

Manual1 Ad Code
Manual2 Ad Code