সিলেট ২৫শে আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১০ই ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ৯:০৫ অপরাহ্ণ, আগস্ট ২৪, ২০২৬
নিজস্ব প্রতিবেদক, সুনামগঞ্জ:
সুনামগঞ্জের তাহিররপুরে কলেজ পড়ুয়া ছাত্রীকে অপহরণের পর চার দিন ধরে আটকে রাখায় এক কিশোর গ্যাং লিডারসহ ৭ জনের নামে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
সোমবার (২৪ আগস্ট) তাহিরপুর থানায় মামলাটি দায়ের করেন অপহরণের শিকার কলেজ ছাত্রীর পিতা।
মামলার আসামিরা হলেন- তাহিরপুরের উত্তর বড়দল ইউনিয়নের শিমুলতলা গ্রামের জহুর ইসলামের ছেলে এলাকার চিহ্নিত বখাটে ও কিশোর গ্যাং লিডার রাকিব ইসলাম (ছদ্দনাম), তার পিতা জহুর ইসলাম সহ কিশোর গ্যাং’র অজ্ঞাত আরও ৫ সদস্য।
মামলা ও ভিকটিমের পারিবারীক সুত্রে জানা গেছে, উপজেলার বাদাঘাটে স্থানীয় একটি কলেজে দ্বাদশ শ্রেণীতে পড়ুয়া (হিন্দু ধর্মালম্বী) ছাত্রীকে উপজেলার শিমুলতলা গ্রামের জহুর ইসলামের বখাটে ছেলে কিশোর গ্যাং লিডার রাকিব ইসলাম (ছদ্দনাম) তার অপর কয়েকজন কিশোর গ্যাং’র সদস্যদের নিয়ে কলেজে আসা যাওয়ার পথে গেল কয়েকমাস ধরে যৌন হয়রানী ও নানাভাবে প্ররোচিত করতে থাকে।
ওই কলেজছাত্রী বিষয়টি তার পরিবারের বাবা-মা, স্বজনদের জানালে বখাটের পিতা ও তার পরিবারের সদস্যদের নিকট নালিস করা হয়। ক্ষিপ্ত হয়ে গত শুক্রবার (২১ আগস্ট) ভোররাতে কিশোর গ্যাং’র সদস্যদের সহযোগিতায় ওই কলেজ ছাত্রীকে বাড়ির থেকে ভয়-ভীতি দেখিয়ে অপহরণ করে নিয়ে যায় ওই কিশোর গ্যাং লিডার।
এরপর মেয়েকে ফেরত চেয়ে বাবা ওই কিশোর গ্যাং লিডারের পিতা জহুর ইসলাম ও তার পরিবারের সদস্যদের শরনাপন্ন হলে ভিকটিমের পিতাকে লাঞ্চিত করে ভিকটিমকে গেল চার দিন অজ্ঞাত স্থানে আটকে রেখে ধর্মান্তরিত করে বিয়ের জন্য চাপ সৃষ্টি করতে থাকে।
অভিযোগ রয়েছে, পুরাতন কাপড় ব্যবসায়ী জহুরের ওই বখাটে ছেলের বিরুদ্ধে স্কুল-কলেজের একাধিক ছাত্রীকে অতীতে রাস্তাঘাটে উত্তপ্ত করতো। এসব বিষয়ে ভোক্তভোগীর পরিবার নালিস করে আসলে দাপুটে স্বজনদের ব্যবহার করে প্রতিটি ঘটনাই ধামাচাপা দেয়া হতো।
সোমবার সন্ধ্যায় অপহৃত কলেজ ছাত্রীর পিতা-মাতা জানান, মামলা দায়েরের পর থেকে কিশোর গ্যাং’র সদস্যরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে আমার কিশোরী মেয়ের চরিত্র হননের জন্য সাইবার ব্যূলিং, সাইবার ক্রাইমের মাধ্যমে অপহরণ ও আটকে রাখার বিষয়টি ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা চালিয়ে যায়।
ভিকটিমের পিতা-মাতা আরো বলেন, আমরা গরীব মানুষ, আমার কিশোরী মেয়েকে সম্ভ্রমহানীর আগেই পরিবারের ফিরে পেতে ও অপগরণকারী চক্রের আইনি শাস্তির জন্যই আমরা থানা পুলিশের দ্বারস্থ্য হয়েছি।
সুনামগঞ্জ পুলিশ সুপার এবি এম জাকির হোসেন পিপিএম বলেন, ভিকটিমকে দ্রুত উদ্ধার ও অপহরণে জড়িতদের আইনের আওতায় নিয়ে আসা থানা পুলিশ সহ পুলিশের গোয়েন্দা টিম তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে।
(সুরমামেইল/এইচএসএ)
প্রধান উপদেষ্টাঃ ফয়েজ আহমদ দৌলত
উপদেষ্টাঃ খালেদুল ইসলাম কোহিনূর
উপদেষ্টাঃ মোঃ মিটু মিয়া
উপদেষ্টাঃ অর্জুন ঘোষ
আইন বিষয়ক উপদেষ্টাঃ এড. মোঃ রফিক আহমদ
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি : মোহাম্মদ হানিফ
সম্পাদক ও প্রকাশক : বীথি রানী কর
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : ফয়সাল আহমদ
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: কামরুল হাসান
নিউজ ইনচার্জ : সুনির্মল সেন
অফিস : রংমহল টাওয়ার (৪র্থ তলা),
বন্দর বাজার, সিলেট।
মোবাইল : ০১৭১৬-৯৭০৬৯৮
E-mail: surmamail1@gmail.com
Copyright-2015
Design and developed by ওয়েব হোম বিডি