ইসলামই থাকলো এ দেশের রাষ্ট্রধর্ম

প্রকাশিত: ৩:৩৯ অপরাহ্ণ, মার্চ ২৮, ২০১৬

ইসলামই থাকলো এ দেশের রাষ্ট্রধর্ম

Manual5 Ad Code

2016_03_27_21_39_02_dCOSzbP4hH4jo0CqOGZhARbAUhWDd2_original

সুরমা মেইল নিউজ : সংবিধানে রাষ্ট্রধর্ম ইসলামকে অন্তর্ভুক্তির বিধান নিয়ে হাইকোর্টের দেয়া রুলের চূড়ান্ত শুনানি শেষে এ বিষয়ে রিট খারিজ করে দিয়েছেন আদালত। এরফলে ইসলামই থাকলো দেশের রাষ্ট্রধর্ম।

সোমবার (২৮ মার্চ) দুপুর ২টার দিকে এ বিষয়ে রুলের শুনানি করার পর বিচারপতি নাইমা হায়দারের নেতৃত্বে তিন সদস্যের হাইকোর্টের বৃহত্তর বেঞ্চ রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে ইসলামকে অন্তর্ভুক্তির বিধান নিয়ে শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। বেঞ্চের অপর দুই বিচারপতি হলেন বিচারপতি কাজী রেজা-উল হক ও বিচারপতি মো. আশরাফুল কামাল। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন রিটকারীদের পক্ষের আইনজীবী জগলুল হায়দার আফ্রিক।

উল্লেখ্য, হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের শাসনকালে কার্যত বিরোধীদল বিহীন চতুর্থ জাতীয় সংসদে ১৯৮৮ সালের ৫ জুন সংবিধানের অষ্টম সংশোধনী অনুমোদন হয়। এর মাধ্যমে সংবিধানে উল্লিখিত অনুচ্ছেদ ২-এর পর ২ (ক) যুক্ত করা হয়। ২ (ক)-তে বলা হয়, ‘প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রধর্ম হবে ইসলাম।’

Manual8 Ad Code

রাষ্ট্রীয় মূলনীতিতে এই পরিবর্তনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে তখনই ‘স্বৈরাচার ও সাম্প্রদায়িকতা প্রতিরোধ কমিটির’ পক্ষে প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি কামাল উদ্দিন হোসেন, কবি সুফিয়া কামাল, অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরীসহ ১৫ বিশিষ্ট নাগরিক হাইকোর্টে এ রিট আবেদনটি দায়ের করেন।

Manual6 Ad Code

রিট আবেদন দায়েরের দীর্ঘ ২৩ বছর পর রিট আবেদনকারীর পক্ষে ২০১১ সালের ৮ জুন একটি সম্পূরক আবেদন করা হয়। তার প্রাথমিক শুনানি নিয়ে সেদিনই বিচারপতি এএইচএম শামসুদ্দিন চৌধুরী ও বিচারপতি গোবিন্দ চন্দ্র ঠাকুরের তৎকালীন হাইকোর্ট বেঞ্চ রুল জারি করেছিল।

Manual4 Ad Code

একই সঙ্গে হাইকোর্ট অ্যামিকাস কিউরি হিসেবে ১৪ জ্যেষ্ঠ আইনজীবীর নাম ঘোষণা করেন আদালত। তারা হলেন- টি এইচ খান, কামাল হোসেন, রফিক-উল হক, এম আমীর-উল ইসলাম, এম জহির, মাহমুদুল ইসলাম, এ এফ হাসান আরিফ, রোকনউদ্দিন মাহমুদ, আখতার ইমাম, ফিদা এম কামাল, আজমালুল হোসেন কিউসি, আবদুল মতিন খসরু, ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন, এ এফ এম মেসবাহ উদ্দিন। এদের মধ্যে এম জহির ও মাহমুদুল ইসলাম মারা গেছেন।

Manual7 Ad Code

উল্লেখ্য, ২০১১ সালের ২৫ জুন আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় থাকাবস্থায় পঞ্চদশ সংশোধনীতে সংবিধানের ওই ২ অনুচ্ছেদ আবারও সংশোধন করা হয়। এরপর রিট আবেদনকারীর পক্ষ পঞ্চদশ সংশোধনীতে থাকা ওই বিধান চ্যালেঞ্জ করে সম্পূরক আবেদন করে।

রুলে পঞ্চদশ সংশোধনীতে আনা ২ (এ) অন্তর্ভুক্তি কেন অসাংবিধানিক ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়। বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী হাইকোর্ট বিভাগে দায়িত্ব পালনের পর আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসেবে গত বছর অবসরে যান। দীর্ঘদিন পর রুলটির চূড়ান্ত শুনানির জন্য আজ সোমবার (২৮ মার্চ) দিন ধার্য করেছিলেন হাইকোর্ট।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

Manual1 Ad Code
Manual2 Ad Code