থানা হাজতে আসামীর আত্মহত্যার তদন্ত করবে মানবাধিকার কমিশন

প্রকাশিত: ৪:০৭ অপরাহ্ণ, মে ২২, ২০১৭

থানা হাজতে আসামীর আত্মহত্যার তদন্ত করবে মানবাধিকার কমিশন

Manual8 Ad Code

নিজস্ব প্রতিবেদক :: জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান কাজী রিয়াজুল হক বলেছেন, সিলেটের জৈন্তাপুর থানা হাজতে গ্রেফতারকৃত আসামীর আত্মহত্যার ঘটনায় অধিকতর তদন্ত করবো আমরা।

তিনি বলেন, ঘটনার দায় কোনভাবেই এড়াতে পারে না কর্তৃপক্ষ। এর জন্য দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার দাবি করেছেন তিনি।

Manual5 Ad Code

সোমবার (২২ মে) সকালে আকস্মিক সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগার পরিদর্শন শেষে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন। সকাল সাড়ে ৮টা থেকে ১০টা পর্যন্ত তিনি কারাগারে অবস্থান করেন।

হাজতির আত্মহত্যার ঘটনায় দুই পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহারে অসন্তোষ প্রকাশ করে তিনি বলেন, এদের বিরুদ্ধে আরো কঠোর ব্যবস্থা নেয়া উচিৎ ছিল পুলিশ প্রশাসনের।

Manual2 Ad Code

তিনি আরো বলেন, দশ বছরের বেশী সময় ধরে কারাগারে বন্দী, অথচ তাদের বিচার শেষ হয়নি, তাদেরকে আইনগত সহায়তা দেবে মানবাধিকার কমিশন। পাশাপাশি ত্রিশ বছরের বেশি সাজাপ্রাপ্ত আসামীদের মধ্যে যারা ২০ বছরের বেশী সময় সাজা খেটেছে-তাদের মধ্যে অপরাধ প্রবণতা থাকার কথা নয়। তাদেরকে মুক্ত জীবনে ফিরিয়ে আনতে কমিশনের পক্ষ থেকে পদক্ষেপ নেয়া হবে বলেও জানান তিনি।

এ সময় ডিআইজি (প্রিজন) একেএম ফজলুল হক, সিলেটের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) আবু সাফায়াত মোহাম্মদ শাহেদুল ইসলাম এবং সিনিয়র জেলার মো. ছগির মিয়া উপস্থিত ছিলেন।

Manual3 Ad Code

প্রসঙ্গত, স্ত্রীকে নির্যাতনের অভিযোগে গত বৃহস্পতিবার (১৮ মে) দিবাগত রাত ৩টার দিকে শহরতলীর বটেশ্বর থেকে গ্রেপ্তার করা হয় জৈন্তাপুর উপজেলার কহাইগড় গ্রামের মৃত মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল জলিল এর ছেলে সাবেক উপজেলা এল.সি.বি.সি অফিসার নজরুল ইসলাম বাবুকে। কিন্তু শুক্রবার ভোর সাড়ে ৪টার দিকে সে থানা হাজতে আত্মহত্যা করে।

জানা যায়, গত বছরের ১৬ নভেম্বর জৈন্তাপুর উপজেলার ঘিলাতৈল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষিকা নাসরিন ফাতেমাকে বিয়ে করেন নজরুল ইসলাম বাবু। বিয়ের পর হতে উভয়ের মধ্যে বিভিন্ন সময়ে কথা কাটাকাটি হয়ে আসছিলো। একপর্যায় নাসরিন পিত্রালয়ে চলে যান এবং নির্যাতনের অভিযোগ এনে জৈন্তাপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। এরই প্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ৩টায় বাবুকে গ্রেপ্তার করা হয়।

Manual6 Ad Code

‘পুলিশের দাবী করেছে আত্মহত্যার বিষয়টি থানার সিসি ক্যামেরায় ধারণ হয়েছে।’

এ বিষয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ সফিউল কবির মৃত্যুর বিষয় নিশ্চিত করে বলেছিলেন, যথা নিয়মে আসামীকে হাজতে রাখা হয়েছে কিন্তু কিভাবে সে আত্মহত্যা করছে তা সিসি ক্যমেরায় ধারন করা আছে প্রয়োজন হলে ডকুমেন্ড হিসেবে তা দেখনো যাবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

Manual1 Ad Code
Manual8 Ad Code