কৃষক সালাম হত্যা মামলায় ২১ জনের যাবজ্জীবন

প্রকাশিত: ১০:১৫ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ৩১, ২০২২

কৃষক সালাম হত্যা মামলায় ২১ জনের যাবজ্জীবন

Manual6 Ad Code

সুরমা মেইল ডেস্ক :
পাবনা সদর উপজেলার চরতারাপুরে চাঞ্চল্যকর কৃষক আব্দুস সালাম হত্যার ঘটনায় ২১ জন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

 

এছাড়াও প্রত্যেক আসামিকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও তিন মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

Manual5 Ad Code

 

সোমবার (৩১ অক্টোবর) দুপুরে পাবনার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ (দ্বিতীয় আদালত) আদালতের বিচারক ইসরাত জাহান মুন্নী এই রায় ঘোষণা করেন।

 

সাজাপ্রাপ্তরা হলেন- সদর উপজেলার ভাদুরীডাঙ্গী গ্রামের সোবাহান মোল্লার ছেলে শাহজাহান মোল্লা, আব্দুল বাছেদ শেখের ছেলে মিনহাজ উদ্দিন, শাকের মোল্লার তিন ছেলে ছেলে নবী শেখ, সুলতান মাহমুদ পক্ষী ও মোক্তার হোসেন,  মৃত ছোবা শেখের ছেলে বাছেদ শেখ, ইনাই খাঁর ছেলে আইয়ুব খাঁ, আমির মোল্লার ছেলে আসলাম মোল্লা, গফুর মোল্লার ছেলে লতিফ মোল্লা, রুস্তম মোল্লার ছেলে ছোবাই মোল্লা, বাহাই প্রামানিকের ছেলে কালাম হোসেন, আকুল মোল্লার ছেলে মহির মোল্লা, হাচেন মোল্লার ছেলে মোহাম্মদ আলী মোল্লা ও রেজাউল মোল্লা, গফুর মোল্লার ছেলে বাবু মোল্লা, সুজানগর উপজেলার চর ভবানীপুর গ্রামের করিম মোল্লার দুই ছেলে মোকছেদ মোল্লা ও বারেক মোল্লা,  মৃত বশির মোল্লার ছেলে করিম মোল্লা, ভবানীপুর কাচারী মাঠ সংলগ্ন আব্দুল কুদ্দুছের ছেলে খোকন, মানিকদিয়ার গ্রামের হবিবরের ছেলে রফিক এবং সদর উপজেলার কোলচুরি গ্রামের মোসলেম উদ্দিনের ছেলে বাবলু।

 

সাজাপ্রাপ্ত ২১ জনের মধ্যে বারেক, মিনহাজ, বাবলু, বাছেদ শেখ, লতিফ মোল্লা, ছোবাই পলাতক। তাদের বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানাসহ গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। আর বাকি ১৫ জনকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

 

এজাহার সূত্রে জানা যায়, ১৯৯৮ সালের ৭ নভেম্বর সালাম কৃষি জমিতে কাজ  করছিলেন। পূর্বশত্রুতার জেরে এসময় আসামিরা হত্যার উদ্দেশ্যে তাকে ঘিরে ধরে। সালাম দৌঁড়ে পালানোর চেষ্টা করলে পেছন থেকে গুলি করা হয়। এসময় সালাম মাটিতে পড়ে গেলে তাকে গুলি করে ও কুপিয়ে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় ২৪ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন তার ভাই জব্বার। পরের বছরে ১৯৯৯ সালের ১ আগস্ট ২৪ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দেয় পুলিশ। ৩ জন আসামির মৃত্যুর ফলে দীর্ঘ স্বাক্ষী ও শুনানি শেষে আজ ২১ জন আসামির বিরুদ্ধে রায় ঘোষণা করা হলো।

 

আদালতে আসামিদের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট সনৎ কুমার সরকার এবং রাষ্ট্রপক্ষ পক্ষে শুনানি করেন অতিরিক্ত সরকারি কৌশুলি (অতিরিক্ত পিপি) অ্যাডভোকেট ইউসুফ আলী।

Manual2 Ad Code

 

Manual2 Ad Code

অ্যাডভোকেট ইউসুফ আলী বলেন, পূর্বপরিকল্পিতভাবে এই হত্যাকাণ্ড ঘটানাে হয়েছে। সাক্ষ্য ও তদন্তে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রামাণিত হয়েছে। আদালত তাদের উপযুক্ত শাস্তি দিয়েছেন। আমরা এই রায়ে সন্তুষ্ট। এর মাধ্যমে ন্যায় বিচার প্রতীয়মান হয়েছে।

 

Manual8 Ad Code

তবে অসন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট সনৎ কুমার সরকার। তিনি বলেন, রাষ্ট্রপক্ষ অভিযোগ প্রমাণ করতে সম্পূর্ণরুপে ব্যর্থ হয়েছে। তারপরেও এই রায় দেওয়া হয়েছে। আমার মক্কেলরা ন্যায় বিচার থেকে বঞ্চিত হয়েছেন।


সংবাদটি শেয়ার করুন
Manual1 Ad Code
Manual4 Ad Code