গুলি-ছুরিকাঘাতে আ’লীগ নেতা হত্যা: ৯ আসামির মৃত্যুদণ্ডাদেশ

প্রকাশিত: ৫:১৭ অপরাহ্ণ, আগস্ট ২০, ২০২৪

গুলি-ছুরিকাঘাতে আ’লীগ নেতা হত্যা: ৯ আসামির মৃত্যুদণ্ডাদেশ

Manual2 Ad Code

সুরমামেইল ডেস্ক :
পাবনা পৌর আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য সাইদার রহমান মালিথা (৫০) হত্যাকাণ্ডে নয় জনের ফাঁসির রায় দিয়েছেন আদালত। সেইসঙ্গে পাঁচ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও সাত জনকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

 

Manual6 Ad Code

মঙ্গলবার (২০ আগস্ট) রাজশাহীর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মহিদুজ্জামান এই রায় ঘোষণা করেন। নিহত সাইদার রহমান মালিথা হেমায়েতপুরের চর প্রতাপপুর কাবলিপাড়ার মৃত হারান মালিথার ছেলে।

 

রাজশাহী দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী এন্তাজুল হক বাবু এসব তথ্য নিশ্চিত করে জানান, নিরাপত্তার কারণে আদালতে আসামিদের উপস্থিত করা হয়নি। তারা কারাগারে ছিলেন। বিচারক ভার্চুয়ালি তাদের রায় পড়ে শোনান।

Manual6 Ad Code

 

ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- হেমায়েতপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আলাউদ্দিন মালিথা, স্বপন মালিথা, রিপন খান, আশিক মালিথা, রাকিব মালিথা, ইয়াসিন আরাফাত ইস্তি, রঞ্জু মালিথা, জনি মালিথা ও আলিফ মালিথা। সবার বাড়ি পাবনা জেলায়।

 

যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- দুলাল মালিথা, রুজু মালিথা, আয়নাল মালিথা, সঞ্জু মালিথা ও বেলাল হোসেন উজ্জল। এই মামলায় আরও সাত জনকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

 

Manual1 Ad Code

আইনজীবী এন্তাজুল হক বাবু আরও বলেন, সাইদার রহমান মালিথা ও আলাউদ্দিন মালিথা দুই ভাই। তাদের একে অপরের সঙ্গে টাকা নিয়ে ঝামেলা হয়। পরে বড় ভাই সাইদার রহমান মালিথা ছোট ভাই আলাউদ্দিন মালিথাকে একটি থাপ্পড় দেন। এই বিবাদে ছোট ভাই তাকে হত্যার পরিকল্পনা করেন।

 

আইনজীবী জানান, সাইদার রহমান মালিথা ও আলাউদ্দিন মালিথার মধ্যে ব্যবসায়িক সম্পর্ক ছিল। সাইদার আলাউদ্দিনের কাছে ৩০ লাখ টাকা পেতেন। এই টাকা নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধ দেখা দেয়। তাই হত্যার পরিকল্পনা করা হয়। ২০২২ সালের ৯ সেপ্টেম্বর দুপুরে পাবনা সদর উপজেলার হেমায়েতপুর ইউনিয়নের চর বাঙাবাড়িয়ার নজুর মোড়ে চা খাচ্ছিলেন সাইদার। এ সময় তাকে গুলি করা হয়। বুকে গুলি নিয়ে দৌড়ে পাশের বাঁশঝাড়ের দিকে গিয়ে পড়ে যান। সেখান থেকে তাকে ধরে নজুর মোড়ে এনে শরীরের বিভিন্ন স্থানে ১২টি ছুরিকাঘাত করা হয়। এতে তিনি ঘটনাস্থলেই মারা যান। এরপর হামলাকারীরা লাশ ফেলে রেখে চলে যান। পরে পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা করা হয়। তদন্ত শেষে পুলিশ ২১ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে।

 

তিনি আরও জানান, মামলার সব আসামিই কারাগারে রয়েছেন। অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় আদালত যে সাত জনকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন- তাদের দ্রুত সময়ের মধ্যে মুক্তি দেওয়া হবে।

 

(সুরমামেইল/এফএ)

Manual1 Ad Code


সংবাদটি শেয়ার করুন
Manual1 Ad Code
Manual4 Ad Code