ব্যক্তি স্বার্থে বিছানাকান্দী ও পান্তুমাই পর্যটনস্পট ইজারা! 

প্রকাশিত: ৩:৫৫ অপরাহ্ণ, মে ৮, ২০২২

ব্যক্তি স্বার্থে বিছানাকান্দী ও পান্তুমাই পর্যটনস্পট ইজারা! 

Manual3 Ad Code

নিজস্ব প্রতিবেদক, গোয়াইনঘাট :
সিলেটের পর্যটন কন্যা হিসেবে খ্যাত সিলেট জেলা। এর মধ্যে পর্যটকদের আকর্ষণের কেন্দ্রে রয়েছে সাত পাহাড়ের মোহনায় মিলিত মেঘালয়ের পাদদেশে অবস্থিত বিছনাকান্দি এবং দক্ষিণ এশিয়ার অন্যেতম সুন্দর গ্রাম পান্তুমাই এর পার্শ্বে পান্তুমাই ঝর্ণা। বর্তমানে সীমান্তবর্তী গোয়াইনঘাট উপজেলার এই পর্যটন স্পটগুলোতে প্রবেশ করতে টাকা গুনতে হবে পর্যটকদের! যদিও অতীতে কোন প্রকার ফি দিতে হত না। ইতোমধ্যে জাফলংয়ে প্রবেশ ফি ১০/= টাকা এবং রাতারগুল সোয়াম্প ফরেস্টে প্রবেশ ফি ২৮/= টাকা করে উত্তোলন করা হচ্ছে।

 

Manual7 Ad Code

স্বাধীনতার পর থেকে দেশে-বিদেশ হতে ভ্রমণ পিপাসু লোকজন প্রকৃতির অপরুপ সৌন্দর্যে মোহিত জাফলংয়ে ঘুরতে আসে। কিন্তু কখনোই কোন প্রকার প্রবেশ ফি গুণতে হয় নি পর্যটকদের। বর্তমানে পর্যটন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনের বাইরে গিয়ে জাফলং এবং রাতারগুলে প্রবেশ করতে ফি নির্ধারণ করেছে জেলা পর্যটন উন্নয়ন কমিটি। জাফলং, রাতারগুলের পাশাপাশি এবার বিছনাকান্দি এবং পান্তুমাই পর্যটন স্পট ও ইজারা দিয়েছেন গোয়াইনঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাহমিলুর রহমান। এটিকে অবৈধ ও এখতিয়ারবহির্ভূত বলছেন আইন বিশেষজ্ঞরা।

 

আইন বিশেষজ্ঞদের মতে ‘প্রাকৃতিক সৌন্দর্য অবলোকন করতে পৃথিবীর কোথাও প্রবেশ ফি দিতে হয় না’ উন্মুক্ত নদী ও পাহাড় দেখতে টাকা লাগবে কেন- এই প্রশ্ন ফি নির্ধারণের শুরু থেকেই।


।আরও পড়ুন


বিশেষত গত বৃহস্পতিবার টিকিট কাউন্টারের কর্মীদের হাতে কয়েকজন পর্যটক মারধরের শিকার হওয়ার পর সেই প্রশ্ন আরও জোরালো হয়েছে। একই সঙ্গে প্রশ্ন উঠেছে জাফলং, রাতারগুল, বিছনাকান্দি, পান্তুমাইয়ে প্রবেশে টিকিট ব্যবস্থা চালুর বৈধতা নিয়ে। জাফলংয়ে দর্শনার্থীর কাছ থেকে ফি আদায়ে অস্থায়ী ভিত্তিতে কিছু কর্মী নিয়োগ দিয়েছে প্রশাসন। এই কর্মী নিয়োগের বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। সাধারণ লোকজন ওদেরকে প্রশাসনের লাটিয়াল বাহিনী হিসেবে আখ্যায়িত করেছে। সাধারণ পর্যটকদের মতে শুরু থেকেই জাফলংয়ে স্বেচ্ছাসেবক নামে কিছু লোক কাজ করছে, তাদের সবার হাতে লাটি থাকে এবং তারা পর্যটকদের সাথে অত্যন্ত ন্যাক্ষারজনক আচরণ করে। প্রয়োজনে অপ্রয়োজনে লাটি ব্যাবহার করে।

 

মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনের নির্ধারিত কার্যপরিধির ৭ নম্বরে উল্লেখ রয়েছে, ‘বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড কর্তৃক গঠিত ভলান্টিয়ারগণের কাজের সমন্বয় করবে পর্যটন উন্নয়ন কমিটি।’ তাদের কোনো স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগের ক্ষমতা দেয়া হয়নি। বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় ২০২১ সালের ৮ নভেম্বর একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে। ওই প্রজ্ঞাপনে দেশের জেলাভিত্তিক পর্যটন উন্নয়ন কমিটি পুনর্গঠন করা হয়। তবে পর্যটন মন্ত্রণালয়ের ওই প্রজ্ঞাপনে পর্যটন উন্নয়ন কমিটির জন্য ১৩টি কার্যপরিধি নির্ধারণ করে দেয়া হয়েছে। এই কার্যপরিধির কোথাও প্রবেশ ফি আদায়ের কথা উল্লেখ নেই।

তৎকালীন জেলা প্রশাসক এম কাজী এমদাদুল ইসলামের সভাপতিত্বে জেলা পর্যটন উন্নয়ন কমিটির সেই সভায় সিলেটের বিভিন্ন পর্যটন স্পটে প্রবেশ ফি আদায়ের সিদ্ধান্ত হয়, ‘প্রবেশ ফি হিসেবে আদায় করা অর্থ থেকে প্রয়োজনীয় জনবলের বেতন ও আনুষঙ্গিক খরচ বহন করা হবে। পাশাপাশি সঞ্চিত অর্থ দিয়ে পরবর্তী সময়ে উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ করা হবে।’ পর্যটন সংশ্লিষ্ট তহবিল গঠনের জন্য একটি ব্যাংক হিসাব খোলার কথাও বলা হয়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং সহকারী ভুমি কর্মকর্তার নামে যৌথ ব্যাংক হিসাব খোলার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত হয়। পদাধিকার বলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সভাপতি এবং সহকারী ভুমি কর্মকর্তা সচিব হিসেবে উপজেলা পর্যায়ে দায়িত্ব পালন করবেন বলে সিদ্ধান্ত হয়।

 

Manual1 Ad Code

কর্মপরিধিতে যা ছিল পর্যটন মন্ত্রণালয়ের ওই প্রজ্ঞাপন ঘেঁটে দেখা গেছে, পর্যটন উন্নয়ন কমিটির নির্ধারিত কাজের মধ্যে রয়েছে- জেলার পর্যটন আকর্ষণ চিহ্নিতকরণ, উন্নয়ন ও সংরক্ষণ; পর্যটন আকর্ষণীয় স্থানের নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে ব্যবস্থা গ্রহণ; পর্যটন আকর্ষণীয় স্থানে পর্যটকদের যাতায়াত ও অবস্থানের স্বাচ্ছন্দ্য বিধানে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ; বিদেশি পর্যটকদের জন্য বিশেষ এলাকা নির্ধারণের প্রয়োজন ও অবকাশ থাকলে সেরূপ এলাকা নির্ধারণের জন্য সরকারের কাছে প্রস্তাব প্রেরণ; বিদেশি পর্যটকদের বাংলাদেশ ভ্রমণ ও অবস্থানকে নিরাপদ এবং আরামদায়ক করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে পর্যটন স্থানগুলোর উন্নয়নের জন্য সরকারের কাছে সুপারিশ পেশ এবং জেলার পর্যটন উন্নয়নে পরিকল্পনা প্রণয়ন।

 

প্রজ্ঞাপনে আরও বলা আছে, পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণ; বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড কর্তৃক গঠিত স্বেচ্ছাসেবকদের কাজের সমন্বয়; উপজেলার পর্যটন উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা তদারকি; বিশ্ব পর্যটন দিবস পালনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ; পর্যটন উন্নয়ন ও প্রচারসংক্রান্ত বিষয়ে বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের সঙ্গে সমন্বিতভাবে কার্যক্রম পরিচালনা ও পর্যটন উন্নয়ন সংক্রান্ত বিষয়ে সরকারের অন্যান্য নির্দেশনা বাস্তবায়নে ব্যবস্থা গ্রহণ।

 

এই ব্যাপারে সিলেটের বিশিষ্টজন সিলেট জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি এমাদ উল্লাহ শহীদুল ইসলাম শাহীন বলেন, প্রজ্ঞাপনের কার্যপরিধিতে না থাকা সত্ত্বেও পর্যটন উন্নয়ন কমিটির এভাবে ফি আদায় সম্পূর্ণ অবৈধ ও এখতিয়ারবহির্ভূত। তারা এটা করতে পারে না। মন্ত্রণালয় নির্ধারিত কর্মপরিধির মধ্যেই তাদের থাকতে হবে।

Manual3 Ad Code

 

জাফলংয়ে পর্যটকদের মারধরের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘ঈদের আগে বলা হলো পর্যটকদের বরণে প্রস্তুত সিলেট। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছে। কিন্তু আমরা কী দেখলাম? প্রকাশ্যে পর্যটকদের পেটাচ্ছে প্রশাসনের কর্মীরা। অথচ পুলিশ তাদের নিবৃত্ত করতে এগিয়ে আসছে না। ঘটনার সময় পুলিশের কোনো সদস্যকে দেখা যায়নি। এটা জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, ইউএনওসহ সংশ্লিষ্ট সবার ব্যর্থতা। এ জন্য তাদের জবাবদিহি করতে হবে।

 

তিনি বলেন, দেশের অন্যতম প্রধান ও সিলেটের প্রধান পর্যটন কেন্দ্র জাফলং। সেখানেই যদি নিরাপত্তার এই অবস্থা হয় তাহলে অন্যগুলোর অবস্থা সহজেই অনুমেয়।

 

ইতোমধ্যে গোয়াইনঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কর্তৃক বিছনাকান্দি, পান্তুমাই পর্যটন স্পট ইজারা দেওয়ায় ফুসে উঠেছে এলাকার সর্বস্তরের জনসাধারণ। এই ব্যাপারে গোয়াইনঘাট পর্যটন উন্নয়ন কমিটির উপদেষ্টা গোয়াইনঘাট উপজেলা চেয়ারম্যান ফারুক আহমদ এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি অফিসিয়ালি কিছুই জানেন না বলে দৈনিক জৈন্তাবার্তা প্রতিনিধিকে জানান।

 

গোয়াইনঘাট উপজেলা আওয়ামিলীগ এর সাধারণ সম্পাদক, পশ্চিম আলীর গাও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গোলাম কিবরিয়া হেলাল বলেন, ‘উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার একক ক্ষমতা বলে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যের স্থান বিছনাকান্দি এবং পান্তুমাই ইজারা দেওয়া সম্পুর্ন অবৈধ।’ তিনি তার ফেইসবুক ওয়ালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার এমন কর্মকান্ডের তীব্র বিরোধিতা করেন।

 

প্রজ্ঞাপনে আরও বলা আছে, পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণ; বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড কর্তৃক গঠিত স্বেচ্ছাসেবকদের কাজের সমন্বয়; উপজেলার পর্যটন উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা তদারকি; বিশ্ব পর্যটন দিবস পালনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ; পর্যটন উন্নয়ন ও প্রচারসংক্রান্ত বিষয়ে বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের সঙ্গে সমন্বিতভাবে কার্যক্রম পরিচালনা ও পর্যটন উন্নয়ন সংক্রান্ত বিষয়ে সরকারের অন্যান্য নির্দেশনা বাস্তবায়নে ব্যবস্থা গ্রহণ।

 

সিলেট জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি এমাদ উল্লাহ শহীদুল ইসলাম শাহীন বলেন, ‘প্রজ্ঞাপনের কার্যপরিধিতে না থাকা সত্ত্বেও পর্যটন উন্নয়ন কমিটির এভাবে ফি আদায় সম্পূর্ণ অবৈধ ও এখতিয়ারবহির্ভূত। তারা এটা করতে পারে না। মন্ত্রণালয় নির্ধারিত কর্মপরিধির মধ্যেই তাদের থাকতে হবে।’

 

জাফলংয়ে পর্যটকদের মারধরের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘ঈদের আগে বলা হলো পর্যটকদের বরণে প্রস্তুত সিলেট। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছে। কিন্তু আমরা কী দেখলাম?’

 

প্রকাশ্যে পর্যটকদের পেটাচ্ছে প্রশাসনের কর্মীরা। অথচ পুলিশ তাদের নিবৃত্ত করতে এগিয়ে আসছে না। ঘটনার সময় পুলিশের কোনো সদস্যকে দেখা যায়নি। এটা জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, ইউএনওসহ সংশ্লিষ্ট সবার ব্যর্থতা। এ জন্য তাদের জবাবদিহি করতে হবে। তিনি বলেন, ‘দেশের অন্যতম প্রধান ও সিলেটের প্রধান পর্যটন কেন্দ্র জাফলং। সেখানেই যদি নিরাপত্তার এই অবস্থা হয় তাহলে অন্যগুলোর অবস্থা সহজেই অনুমেয়।’

 

ইতোমধ্যে গোয়াইনঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কর্তৃক বিছনাকান্দি, পান্তুমাই পর্যটন স্পট ইজারা দেওয়ায় ফুসে উঠেছে এলাকার সর্বস্তরের জনসাধারণ। এই ব্যাপারে গোয়াইনঘাট পর্যটন উন্নয়ন কমিটির উপদেষ্টা গোয়াইনঘাট উপজেলা চেয়ারম্যান ফারুক আহমদ এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি অফিসিয়ালি কিছুই জানেন না বলে দৈনিক জৈন্তাবার্তা প্রতিনিধিকে জানান।

 

Manual7 Ad Code

গোয়াইনঘাট উপজেলা আওয়ামিলীগ এর সাধারণ সম্পাদক, পশ্চিম আলীর গাও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গোলাম কিবরিয়া হেলাল বলেন, ‘উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার একক ক্ষমতা বলে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যের স্থান বিছনাকান্দি এবং পান্তুমাই ইজারা দেওয়া সম্পুর্ন অবৈধ।’ তিনি তার ফেইসবুক ওয়ালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার এমন কর্মকান্ডের তীব্র বিরোধিতা করেন।

 

তীব্র বিরোধিতা করে বিবৃতি দিয়েছেন জৈন্তিয়া কেন্দ্রীয় পরিষদের সাধারণ সম্পাদক, সিলেট জর্জকোর্ট এর সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটরই এডভোকেট মোঃ জামাল উদ্দিন। তিনি বলেন, প্রাকৃতিক দর্শনীয় স্থান বিছনাকান্দি, পান্তুমাই পর্যটন উন্নয়ন কমিটির নামে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা একক ক্ষমতা বলে ইজারা দিয়ে দেবেন, উনার একাউন্টে টাকা যাবে, এটা সম্পুর্ন অন্যায় এবং স্পষ্ট দুর্নীতি। প্রাকৃতিক সৌন্দর্য অবলোকন করতে পৃথিবীর কোথাও প্রবেশ ফি দিতে হয় না।এটা সরকারের পর্যটন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনের বিরোধী। তিনি অবিলম্বে তা প্রত্যাহারের দাবী জানান।

 

অন্যদিকে জাফলং এ পর্যটকদের উপরে হামলার প্রতিবাদ ও বিছনাকান্দি, জাফলং, রাতারগুল, পান্তুমাই পর্যটন স্পটে টোল বন্ধের দাবীতে গত শুক্রবার  (০৬ মে) মানববন্ধন করেছে জৈন্তিয়া কেন্দ্রীয় ছাত্রপরিষদ এবং সিলেট শহরস্থ গোয়াইনঘাট ছাত্র পরিষদ। জাতীয় শ্রমিক লীগের সহ-সাধারণ সম্পাদক এবং সিলেট মহানগর শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক নাজমুল আলম রোমেনের নেতৃত্বে এই কর্মসূচি পালন করা হয় এবং গোয়াইনঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার এহেন কর্মকান্ডের তীব্র বিরোধিতা করে অবিলম্বে টোল প্রত্যাহারের দাবী জানানো হয়।

 

গোয়াইনঘাট পর্যটন উন্নয়ন কমিটির স্বেচ্ছাসেবক কর্তৃক জাফলং পর্যটন স্পটে আগত পর্যটক ও নারীদের উপর নগ্ন হামলার প্রতিবাদে যথাযথ বিচার এবং জাফলং, বিছনাকান্দি,পান্তুমাই, রাতারগুল পর্যটন স্পটে অবৈধ পন্থায় টোল আদায় বন্ধের দাবীতে সিলেট জেলা প্রশাসক বরাবর স্মারকলিপি প্রদান এবং মানববন্ধন করেছে বৃহত্তর জৈন্তিয়ার গণমানুষের সংগঠন জৈন্তিয়া কেন্দ্রীয় পরিষদ, জৈন্তিয়া কেন্দ্রীয় ছাত্রপরিষদ, গোয়াইনঘাট এসোসিয়েশন সিলেট এবং সিলেট শহরস্থ গোয়াইনঘাট ছাত্র পরিষদের নেতৃবৃন্দ। অন্যদিকে পর্যটকদের কাছ থেকে প্রবেশ ফি আদায় অবৈধ নয় বলে বৃহস্পতিবার বলেছিলেন সিলেটের জেলা প্রশাসক ও জেলা পর্যটন উন্নয়ন কমিটির সভাপতি মজিবর রহমান।

 

মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনের বিষয়টি উল্লেখ করে শুক্রবার তাকে একই প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, এটা আমি আসার আগেই চালু করা হয়েছে। আমি এ ব্যাপারে কোনো মন্তব্য করতে চাই না। আমি সাতদিনের জন্য ফি বন্ধ রেখেছি। পরবর্তীতে কমিটির সভা ডেকে বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করব।

 

এ ব্যাপারে জানতে গোয়াইনঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তাহমিলুর রহমানের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে বেশ কয়েকবার কলা করা হলেও তিনি কল রিসিভ করেন নি।


সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

Manual1 Ad Code
Manual3 Ad Code