মুসার বিরুদ্ধে মামলা করার সিদ্ধন্ত নিয়েছে দুদক

প্রকাশিত: ৫:২৭ অপরাহ্ণ, মার্চ ১০, ২০১৬

মুসার বিরুদ্ধে মামলা করার সিদ্ধন্ত নিয়েছে দুদক

Manual5 Ad Code

2015_06_28_10_10_37_DT3UBOVF19DrySv8JwypxmIxsAvyQZ_original

Manual4 Ad Code

সুরমা মেইল নিউজ : তলব, নোটিশ এবং জিজ্ঞাসাবাদের পর এবার রহস্যময় ব্যক্তিত্ব প্রিন্স মুসা খ্যাত (মুসা বিন শমসের) এর বিরুদ্ধে মামলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক)। আজ বৃহস্পতিবার দুদক কমিশনারদের নিয়মিত বৈঠকে মামলার অনুমোদন দিয়েছে সংস্থাটি। দুদক সূত্রে এ তথ্য জানা যায়।

সূত্র জানায়, আজ আথবা কালকের মধ্যে মুসার বিরুদ্ধে মালা করা হবে। তার বিরুদ্ধে বৈঠকে উপস্থিত সকলে মামলার বিষয়ে একমত হন। এর আগে ২০১৪ সালের ১৮ ডিসেম্বর দুদক প্রথম মুসাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে। ওই জিজ্ঞাসাবাদে মুসা বিন শমসের হীরকখচিত বহুমূল্য জুতা থেকে শুরু করে আপাদমস্তক মূল্যবান অলঙ্কারে সজ্জিত হয়ে ভিএমডব্লিউ কারের বহর নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদে হাজির হন। এসময় তার সঙ্গে ছিল অর্ধ শতাধিক সুন্দরী নারী-পুরুষ দেহরক্ষী। এ ঘটনায় তখন দুদক কার্যালয় সহ পুরো দেশ থমকে যায়। মুসা বিন শমসের উঠে আসেন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।

Manual2 Ad Code

গত ৭ জুন ২০১৫ মুসা বিন শমসের দুদকে তার সম্পদের হিসেব দেয়। পরে তার দাখিলকৃত সম্পদ বিবরণী যাচাই-বাছাই ও অনুসন্ধানে গত ৪ জানুয়ারি দ্বিতীয়বারের মতো তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করেছিলেন অনুসন্ধানী কর্মকর্তা।

কিন্তু একদিন আগেই উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিসসহ ডেথ ফোবিয়ার (মৃত্যু আশঙ্কা) কথা জানিয়ে হাজিরা দিতে তিন মাসের সময় চেয়ে আবেদন করেন তিনি। মুসা বিন শমসেরের পক্ষে তার জনশক্তি প্রতিষ্ঠান ডেটকো প্রাইভেট লিমিটেডের এক কর্মকর্তা দুদক চেয়ারম্যানের বরাবর আবেদনটি করেন। আবেদনটি বিবেচনা করে ১০ কর্মদিবস সময় দিয়ে ২৮ জানুয়ারি ফের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।

Manual8 Ad Code

মুসার সম্পদ বিবরণীতে বলেন, সুইস ব্যাংকে তার ১২ বিলিয়ন ডলার (বাংলাদেশি প্রায় ৯৩ হাজার ৬০০ কোটি টাকা, প্রতি ডলার ৭৮ টাকা হিসেবে) জব্দ অবস্থায় রয়েছে। এছাড়া সুইস ব্যাংকে ৯০ মিলিয়ন ডলার মূল্যের (বাংলাদেশী টাকায় প্রায় ৭০০ কোটি টাকার) অলঙ্কার জমা রয়েছে। পাশাপাশি দেশের অভিজাত এলাকা খ্যাত গুলশান ও বনানীতে দুটি বাড়ি, সাভার ও গাজীপুরে এক হাজার ২০০ বিঘা জমির কথাও সম্পদ বিবরণীতে উল্লেখ করা হয়।

প্রসঙ্গত, মুসা বিন শমসের এই সম্পদ বিবরণী বিষয়ে ‘মুসা যত গর্জে, তত না’ মন্তব্য করেছিলেন দুদক চেয়ারম্যান মো. বদিউজ্জামান। তিনি সাংবাদিকদের বলেছিলেন, দুদকের কাছে তিনি বিশাল জমি-জমার হিসাব দিয়েছেন। তবে কোনো জায়গাই তার দখলে নেই। আবার বিদেশে আটক ১২ বিলিয়ন ডলারের যে তথ্য দিয়েছেন, সেখান থেকে সে তথ্যও পাচ্ছি না। আবার সেও কিছু দিতে পারছেন না। আমরা খোঁজ-খবর নিয়ে দেখেছি, মুসার সম্পদ বলতে তেমন কিছুই নেই।

Manual4 Ad Code

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

Manual1 Ad Code
Manual6 Ad Code