শাবি খুলে দেয়ার সিদ্ধান্ত , ক্যাম্পাসে বিজয় মিছিল

প্রকাশিত: ১:২০ অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ২২, ২০১৬

শাবি খুলে দেয়ার সিদ্ধান্ত , ক্যাম্পাসে বিজয় মিছিল

Manual7 Ad Code

Manual2 Ad Code

শাবি প্রতিনিধি :: শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস খুলে দেয়ার দাবিতে আন্দোলনরত সাধারণ শিক্ষার্থীরা এক নাগাড়ে টানা ২৪ ঘণ্টা আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার পর তাদের দাবি মেনে নিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

বৃহস্পতিবার ১০টা থেকে সোয়া ১১টা পর্যন্ত জরুরি সিন্ডিকেট সভায় বিশ্ববিদ্যালয় খুলে দেয়ার সিদ্ধান্ত হয়। সভার সিদ্ধান্তে আজ থেকেই সকল ক্লাস ও পরীক্ষা চলবে। তবে ২৫ ডিসেম্বর থেকে কেবলমাত্র আবাসিক ছাত্র হলগুলোতে বৈধ শিক্ষার্থীরা উঠতে পারবেন বলে জানান সিন্ডিকেট সদস্য অধ্যাপক ড. কবির হোসেন।

Manual2 Ad Code

সিদ্ধান্ত জানার পর আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসে বিজয় মিছিল বের করেন। ক্যাম্পাসের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করেন তারা।

ক্যাম্পাসের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে শাহজালাল বিশ^বিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি আজ দুপুরে এক মিটিং করবেন বলে নিশ্চিত করেন শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. সৈয়দ সামসুল আলম।

আন্দোলনের অধিকাংশ সময় শাবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. আমিনুল হক ভূইয়ার অফিস কার্যালয়ের সামনে অবস্থান করেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। এতে করে উপাচার্য আমিনুল হক টানা ২২ ঘণ্টা অবরুদ্ধ থাকেন তার নিজ কার্যালয়ে।

Manual7 Ad Code

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা জানান, আমাদের একটাই দাবি ছিল ‘প্রাণের ক্যাম্পাস খোলা রাখতে হবে’। আর এ দাবি মেনে নেয়ায় প্রশাসনকে ধন্যবাদ জানান আন্দোলনরত শিক্ষার্থী সারোয়ার তুষার, দীপাঙ্কর কপিল দে ও কাসিব মুন্না প্রমুখ।

উপাচার্য ভবনের সামনে বুধবার দুপুর ২টা থেকে টানা অবস্থানের কারণে উপাচার্য আমিনুল হক ভূইয়া নিজ কার্যালয় থেকে বের হতে পারেননি। পরে রাতে সেখানে অবস্থান করেন তিনি।

জালালাবাদ থানার ওসি আখতার হোসেন জানান, যে কোন ধরণের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে ক্যাম্পাসে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, গত ২১ ডিসেম্বর আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক ইমরান খান সমর্থিত গ্রুপকে সহসভাপতি আবু সাঈদ আকন্দ, অঞ্জন রায়, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক সাজিদুল ইসলাম সবুজ সমর্থিত গ্রুপের কর্মীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের গোলচত্ত্বর এলাকা থেকে ধাওয়া দিয়ে পরে হল দখলে নেয় তারা। পরবর্তীতে শাবি প্রশাসনের লিখিত চিঠির অনুরোধে রাত ১২টা থেকে ভোর ৫টা পর্যন্ত হলে পুলিশ রেড দেয়। এসময় ইমরান খানের সমর্থিত কর্মীরা প্রশাসনের সহযোগিতা ছাড়াই হলে প্রবেশ করে। এসময় অন্যান্য গ্রুপের নেতা-কর্মীরা হলে অবস্থান করছিল। এ ঘটনার পরেই উত্তেজনা বিরাজ করছিল। পরে বুধবার সকালেই হল ছাড়ার নির্দেশ আসে। এমনকি রেজিস্ট্রার ইশফাকুল হোসেন স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে অনির্দিষ্টকালের জন্য সকল ক্লাস পরীক্ষা ও ১ জানুয়ারি পর্যন্ত হল বন্ধ করা হলেও পরবর্তীতে এক জরুরি সিন্ডিকেট সভায় সেটা ৬ জানুয়ারি পর্যন্ত বাড়ানো হয়। তবে অধিকাংশ বিভাগেই ক্লাস ও সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষা থাকায় অসুবিধায় পড়ে সাধারণ শিক্ষার্থীরা। এর পরেই আন্দোলনে নামেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

Manual6 Ad Code

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

Manual1 Ad Code
Manual4 Ad Code