দুই যুবকের সঙ্গে এক তরুণীর সংসার!

প্রকাশিত: ১:২৫ পূর্বাহ্ণ, নভেম্বর ৭, ২০১৭

দুই যুবকের সঙ্গে এক তরুণীর সংসার!

Manual8 Ad Code

মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই কলকাতার চিৎপুরে তরুণী খুনের রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। টাকার চাহিদা বাড়তে থাকায় রাধাকে খুন করেছে বলে জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছে প্রেমিক সঞ্জয় মিস্ত্রি। বৃহস্পতিবার রাতে নিজের বাড়ি থেকে অন্তর্বাস পরা অবস্থায় উদ্ধার হয় রাধার গলা কাটা লাশ। খুনের ঘটনায় গ্রেপ্তার করা হয় প্রেমিক সঞ্জয় মিস্ত্রিকে।

জানা গেছে, ১০ বছর আগে প্রদীপ ঘোষের সঙ্গে বিয়ে হয় গোধূলি ঘোষ ওরফে রাধার। দম্পতির সাত বছরের মেয়েকে নিয়ে চিৎপুরেই ছিল সংসার। স্বামী প্রদীপ ঘোষ শ্বশুরবাড়িতে থাকতেন। অভাবের সংসারে বাধ্য হয়ে দেহব্যবসার পথে হাঁটেন রাধা।

Manual3 Ad Code

সোনাগাছিতে পরিচয় হয় সঞ্জয় মিস্ত্রির সঙ্গে। ধীরে ধীরে সেই পরিচয় প্রণয়ের রূপ নেয়। এরপরই ঘর ছেড়ে সোনারপুরে প্রেমিক সঞ্জয়ের সঙ্গে থাকতে শুরু করেন রাধা। নিজের স্বামী প্রদীপ ঘোষকে ‘ভাই’ বলে সঞ্জয়ের সঙ্গে পরিচয় করান তিনি।

Manual7 Ad Code

তবে সঞ্জয়ের সঙ্গে সংসার টেকেনি। দুই মাস পর ফিরে আসেন রাধা। ফের স্বামীর সঙ্গে থাকতে শুরু করেন। এদিকে আন্দামানে নিজের সম্পত্তি বিক্রি করে ২৭ লাখ টাকা নিয়ে ফিরে আসে সঞ্জয়ও।

তার মধ্যে ১০ লাখ টাকা রাধার পেছনে খরচ করে সে। জানতে পারে প্রদীপের আসল পরিচয়। এরপরই তিনজন মিলে একসঙ্গে থাকা শুরু করে। তিনজনের ‘সংসারে’ টাকা জোগাত সঞ্জয়। তবে সঞ্জয়ের অভিযোগ, ইদানীং রাধা ও প্রদীপের টাকার দাবি বাড়ছিল।

Manual3 Ad Code

বৃহস্পতিবার তিনজন মিলেই মেয়েকে কালনায় মাসির বাড়িতে রেখে দিয়ে আসে। এরপর রাতে প্রদীপ রুটি কিনতে বের হন। সে সময় রাধার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ হয় সঞ্জয়। মওকা বুঝে তখনই সবজি কাটার ছুরি দিয়ে রাধার গলা কেটে দেয় বলে জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছে সঞ্জয়।

প্রেমিক সঞ্জয় খুনের কথা স্বীকার করলেও স্বামী প্রদীপের ভূমিকাও খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

Manual6 Ad Code

সংবাদটি শেয়ার করুন
Manual1 Ad Code
Manual6 Ad Code