এবার পাগলা মসজিদের সিন্দুকে মিললো ৩ কোটি ৬০ লাখ টাকা

প্রকাশিত: ১০:১৪ অপরাহ্ণ, জুলাই ২, ২০২২

এবার পাগলা মসজিদের সিন্দুকে মিললো ৩ কোটি ৬০ লাখ টাকা

Manual8 Ad Code

সুরমা মেইল ডেস্ক :
কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের সিন্দুক খোলা হয়েছে। শনিবার (২ জুলাই) সকালে আটটি সিন্দুক খুলে সাড়ে ১৬ বস্তা টাকা পাওয়া গেছে। সারাদিন গণনা শেষে যার পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩ কোটি ৬০ লাখ ২৭ হাজার ৪১৫ টাকা। নগদ টাকা ছাড়াও সিন্দুকে সোনা-রুপার গহনা ও বিভিন্ন দেশের মুদ্রা ছিল।

 

শনিবার সন্ধ্যায় পাগলা মসজিদ কমিটির সভাপতি ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ শামীম আলম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, সকাল সাড়ে ৯টার দিকে জেলা প্রশাসনের কয়েকজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও মসজিদ কমিটির কর্মকর্তাদের সামনে সিন্দুকগুলো খোলা হয়।

 

জেলা প্রশাসক বলেন, তিন মাস বিশ দিন পর এবার সিন্দুক খোলা হয়েছে। আমরা গত দেড় বছর ধরে মসজিদের দানের মূল টাকা খরচ করছি না। এগুলো ব্যাংকে জমা রাখা হচ্ছে। যা দিয়ে একটি ইসলামিক কমপ্লেক্স নির্মাণ করা হবে। যেখানে ৬০ হাজার মুসল্লির একসঙ্গে নামাজ পড়তে পারবেন। নারীদের জন্য থাকবে পৃথক নামাজের ব্যবস্থা।

Manual4 Ad Code

 

তিনি আরো বলেন, প্রকল্পটির জন্য প্রাথমিকভাবে ১১৫ কোটি টাকা ব্যয় ধরা হয়েছে। এরই মধ্যে আমরা একটি পরামর্শক প্রতিষ্ঠানকে দায়িত্ব দিয়েছি। প্রকৃত খরচ কতো হবে তা চূড়ান্ত হবার পরই কাজ শুরু হবে।

Manual6 Ad Code

 

এর আগে, গত ১২ মার্চ সিন্দুক খোলা হয়েছিল। তখন ৩ কোটি ৭৮ লাখ ৫৩ হাজার টাকা পাওয়া গিয়েছিল। তারও আগে, গত বছরের ৬ নভেম্বর সিন্দুক খুলে পাওয়া যায় ৩ কোটি ৭ লাখ ১৭ হাজার ৫৮৫ টাকা।

 

জানা যায়, আজ শনিবার সকালে সিন্দুক খোলার পর টাকাগুলো বস্তায় ভরে মসজিদের দোতলায় নিয়ে গণনার কাজ শুরু করা হয়। প্রায় দুই শ লোক দানের টাকা গোনার কাজে নিয়োজিত ছিলেন।

 

কিশোরগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মো. গোলাম মোস্তাফার নেতৃত্বে বেশ কয়েকজন নির্বাহী মাজিস্ট্রেট টাকা গণনার কাজ তদারকি করছেন। আর একদল পুলিশ ও আনসার সদস্য নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিলেন।

Manual8 Ad Code

 

স্থানীয়রা জানান, প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ মসজিদের সিন্দুকে টাকা-পয়সা দান করেন। নগদ টাকা ছাড়াও গবাদিপশু, হাঁস-মুরগীসহ বিভিন্ন ধরনের জিনিসপত্র দান করা হয়। লোকজনের বিশ্বাস এই মসজিদে দান করলে মনোবাসনা পূর্ণ হয়।

Manual4 Ad Code

 

মসজিদ কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও কিশোরগঞ্জ পৌরসভার মেয়র মাহমুদ পারভেজ বলেন, মসজিদে দানের টাকা ব্যাংকে গচ্ছিত থাকে। আর ওই টাকার লভ্যাংশ দিয়ে মসজিদের উন্নয়ন কাজ করা হয়। এছাড়াও গরীব ও অসহায় লোকদের আর্থিক সহায়তাসহ জটিল রোগে আক্রান্তদের অনুদান দেওয়া হয়।


সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

Manual1 Ad Code
Manual3 Ad Code