সিলেট ৪ঠা অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৯শে আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ১২:২৬ অপরাহ্ণ, আগস্ট ২, ২০১৬
সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি : টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে সুনামগঞ্জে বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি ঘটেছে। তবে বন্যার পানি কমার সঙ্গে সঙ্গে বাড়ছে মানুষের দুর্ভোগ। এসব এলাকায় দেখা দিয়েছে বিশুদ্ধ খাবার পানি, খাদ্য সংকট ও পানিবাহিত রোগ।
মঙ্গলবার (০২ আগস্ট) সকালে বন্যার পানি বিপদসীমার ৭০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। যা গত দু’দিন ছিলো ৯১ সেন্টিমিটার।
প্রবল বর্ষণ ও সীমান্ত থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে এতে পানিবন্দী হয়ে দিন কাটাচ্ছেন দোয়ারাবাজার, তাহিরপুর, বিশ্বম্ভরপুর, জামালগঞ্জ, দৰিণ সুনামগঞ্জ, ছাতক উপজেলার দুই লাখেরও বেশি মানুষ। বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে আমন ধানের ৰেত, বীজতলা ও সবজি বাগান। বেকার হয়ে পড়ে আছেন প্রায় অর্ধ লাখ শ্রমিক। প্রশাসনের পক্ষ থেকে বন্যা দুর্গতদের দেয়া হয়েছে কিছু চাল ও নগদ টাকা।
ফতেপুর ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান রনজিত চৌধুরী বলেন- বন্যাকবলিত এলাকার সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ বাড়ছে। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা তৈরি করে ত্রাণ, মাছের পোনা ও আমন বীজ দিয়ে সাহায্যের জন্য সরকারের কাছে দাবি জানান।
সুনামগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. কামরুজ্জামান জানান, জেলায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের মধ্যে বিতরণের জন্য এক লাখ ৫৪ মেট্রিক টন চাল ও নগদ সাড়ে চার লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
সুনামগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণের উপপরিচালক জাহিদুল হক ও মৎস্য কর্মকর্তা সুলতান আহমদ জানান, ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা তৈরির কাজ শুরু করা হয়েছে। পানি পুরোপুরি না নামার আগে সম্পূর্ণ ক্ষতির হিসাব পাওয়া যাবে না।
Design and developed by ওয়েব হোম বিডি