চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির আশা জিইয়ে বিশ্বকাপ শেষ বাংলাদেশের

প্রকাশিত: ৬:৫৮ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ১১, ২০২৩

চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির আশা জিইয়ে বিশ্বকাপ শেষ বাংলাদেশের

Manual1 Ad Code

খেলাধুলা ডেস্ক :
চলমান ওয়ানডে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালের দৌড় থেকে ছিটকে গিয়েছিল আগেই। তবুও শেষটা জয় দিয়ে রাঙাতে কে না চায়! তবে তা অবশ্য পারেনি বাংলাদেশ। অস্ট্রেলিয়ার কাছে হার দিয়ে বিশ্বকাপ মিশনের সমাপ্তি টেনেছে টাইগাররা।

 

Manual2 Ad Code

পুনের মহারাষ্ট্র ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন স্টেডিয়ামে প্রথমে ব্যাট করে ৫০ ওভারে আট উইকেটে ৩০৬ রান করেছিল বাংলাদেশ। জবাবে ৪৪.৪ ওভারেই জয়ের বন্দরে পৌঁছায় অস্ট্রেলিয়া। হাতে ছিল আরো ৮ উইকেট!

 

অস্ট্রেলিয়ার কাছে হারলেও চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির সম্ভাবনা উজ্জ্বল হয়েছে বাংলাদেশের। আগামীকাল বিশ্বকাপের লিগ পর্বের শেষ ম্যাচে ভারতের বিপক্ষে নেদারল্যান্ডস হারলেই আট নম্বরে থেকে টুর্নামেন্টে জায়গা নিশ্চিত করবে টাইগাররা।

এদিন অস্ট্রেলিয়ার হয়ে রান তাড়া করতে নেমে শুরুতেই আউট হন ট্রেভিস হেড। তৃতীয় ওভারে তাসকিন আহমেদের বলে বোল্ড হওয়ার আগে ১০ রান করেন তিনি। শুরুর ধাক্কা সামলে দলীয় ইনিংস এগিয়ে নিতে থাকেন ডেভিড ওয়ার্নার ও মিচেল মার্শ।

 

দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে ম্যাচ অনেকটাই নিজেদের দিকে নিয়ে নেয় অস্ট্রেলিয়া। ১২০ রানের জুটির পথে ওয়ার্নার ও মার্শ দুজনই পান ফিফটির দেখা। তবে ফিফটির পরই ফেরেন ওয়ার্নার। তিনি করেন ৫৩ রান।

 

Manual4 Ad Code

ওয়ার্নার ফিরলেও আপন গতিতে রান করতে থাকেন মার্শ। ক্যারিয়ার সেরা ইনিংস খেলে দলকে জিতিয়েই মাঠ ছাড়েন তিনি। ৮৭ বলে চলতি আসরের দ্বিতীয় সেঞ্চুরি তুলে নেয়া এ অজি অলরাউন্ডার অপরাজিত ছিলেন ১৭৭ রানে।

 

অন্যপ্রান্তে স্টিভ স্মিথও অপরাজিত পঞ্চাশোর্ধ্ব রানের ইনিংস উপহার দেন। সাবেক অজি অধিনায়ক ৮৩ রানে অপরাজিত ছিলেন। বাংলাদেশের হয়ে তাসকিন আহমেদ ও মুস্তাফিজুর রহমান একটি করে উইকেট নেন।

 

এর আগে টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেন অস্ট্রেলিয়া অধিনায়ক প্যাট কামিন্স। বাংলাদেশকে ভালো শুরু এনে দেন লিটন দাস ও তানজিদ হাসান তামিম। উদ্বোধনী জুটিতে আসে ৭৬ রান। দুই ওপেনারই আউট হওয়ার আগে সমান ৩৬ করে রান করেন।

Manual3 Ad Code

 

তিনে নামা শান্ত ছিলেন ফিফটির পথে। তবে ৪৫ রানে রান আউটের শিকার হন তিনি। বিশ্বকাপে নিজেদের শেষ ম্যাচ ব্যাট হাতে রাঙাতে পারেননি মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ বা মুশফিকুর রহিমের কেউই। এ দুই ব্যাটার ফেরেন যথাক্রমে ৩২ ও ২১ রানে।

 

সতীর্থদের আসা-যাওয়ার মাঝে অর্ধশতক পূরণ করেন চারে নামা তাওহীদ হৃদয়। ৬১ বলে মাইলফলকে পৌঁছান এ ব্যাটার। ৭৯ বলে দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৭৪ রান করে আউট হন তিনি। মেহেদী মিরাজের ২৯ রানের ক্যামিওতে দলের পুঁজি ৩০০ ছাড়ায়।

 

অস্ট্রেলিয়ার হয়ে শন অ্যাবোট ও অ্যাডাম জাম্পা দুটি এবং মার্কাস স্টয়নিস একটি করে উইকেট নেন। এবারের আসরে ৯ ম্যাচে মাত্র দুই জয়ে ৪ পয়েন্ট নিয়ে অষ্টম দল হিসেবে আসর শেষ করল বাংলাদেশ।

Manual4 Ad Code

 

(সুরমামেইল/এএইচএম)


সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

Manual1 Ad Code
Manual5 Ad Code