সিলেট ১লা অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৬ই আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ৯:৩৭ অপরাহ্ণ, জুলাই ২৯, ২০২৬
নিজস্ব প্রতিবেদক, সুনামগঞ্জ:
সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জে সুরমা নদী থেকে দুটি ড্রেজার সহ একটি খনিজ বালি বোঝাই ট্রলার জব্দ করেছে বাংলাদেশ নৌ পুলিশ। পরিবেশধ্বসী নিষিদ্ধ ড্রেজার মেশিনে খনিজ বালি উক্তোলন ক্রয় বিক্রয় পরিবহনে জড়িত থাকায় দুজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
বুধবার (২৯ জুলাই) নৌ পুলিশ সিলেট অঞ্চলের পুলিশ সুপার (এসপি) ফাল্গুনী পুরকায়স্থ এমন তথ্য নিশ্চিত করেন।
গ্রেফারকৃতরা হলেন- নেত্রকোনার খালিয়াজুরির ফতুয়া গ্রামের মস্তু মিয়ার ছেলে হৃদয় মিয়া, একই গ্রামের আজিদ মিয়ার ছেলে হৃদয় মিয়া।
মঙ্গলবার রাতে বালি বোঝাই ট্রলার, ২টি ড্রেজার সহ প্রায় পৌনে ১০ লাখ টাকার আলামত জব্দ দেখিয়ে গ্রেফতার দুজন, ও অপর একজনকে পলাতক আসামি দেখিয়ে জামালগঞ্জ থানায় বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন লালপুর নৌ পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই আল ইমরান বিন রাজ্জাক।
মামলা সুত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত আসামিরা পরস্পরের যোগসাজসে দীর্ঘ কয়েকমাস ধরে জামালগঞ্জের সুরমা নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে ড্রেজার মেশিনে খনিজ বালু উত্তোলন করে ক্রয়-বিক্রয় ও পরিবহন করে আসছিলো।
মঙ্গলবার বিকেলে জামালগঞ্জের লালপুর নৌ পুলিশ ফাঁড়ির চেকপোষ্টে দায়িত্বরতরা বোঝাই ট্রলার, ২টি ড্রেজারসহ প্রায় পৌনে ১০ লাখ টাকার আলামত জব্দ করে ওই দুজনকে গ্রেফতার করেন।
অভিযোগ উঠেছে, নৌ পুলিশ সিলেট অঞ্চলের সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জের লালপুর নৌ পুলিশ ফাঁড়ি ইনচার্জ ফাঁড়ির বাহিরে অবস্থান করেও গোপন সমঝোতায় জব্দকৃত বালু বোঝাই ট্রলার, ড্রেজার ও গ্রেফতারকৃতদের ছেড়ে দিতে নানা কৌশল অবলম্বন করেন। বিষয়টি নৌ পুলিশের উর্ধতন কর্তৃপক্ষের নজরে আনলে জামালগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করা হয়।
ওই ইনচার্জ নৌ পুলিশের নামে জামালঞ্জের একাধিক ভারতীয় বিড়ি চোরাকারবারি, আমানিপুরে তৃতীয় লিঙ্গের সদস্য নৌযান থেকে চাঁদা আদায়, সুরমা নদীতে কারেন্ট জাল, বের জাল দিয়ে মাছ ধরায় থাকা জেলেদের নিকট থেকে, গরুর হাট, রক্তি নদীর মোহনায় বিআইডব্লিউটির নিকট থেকে নিয়মিত কয়েক লাখ টাকা মাসোহারা আদায় করছেন।
অভিযোগ অস্বীকার করে লালপুর নৌ পুলিশ ফাঁড়ি ইনচার্জ সজল কুমার কানু বলেন, আমি বাহিরে আছি এ নিয়ে পড়ে কথা বলবো। তিনি আরও বলেন, বেশ কয়েকজন সাংবাদিকের সাথে আমার সূসম্পর্ক রয়েছে।
(সুরমামেইল/এইচএসএ)
Design and developed by ওয়েব হোম বিডি