বিশ্বের সেরা ২ শতাংশ বিজ্ঞান গবেষকের তালিকায় শাবির ৮ শিক্ষক

প্রকাশিত: ১১:০৭ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ৮, ২০২৬

বিশ্বের সেরা ২ শতাংশ বিজ্ঞান গবেষকের তালিকায় শাবির ৮ শিক্ষক

Manual1 Ad Code

মেইল ডেস্ক:
আন্তর্জাতিক খ্যাতনামা প্রকাশনা সংস্থা এলসেভিয়ার এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটি-এর যৌথ পরিচালনায় প্রকাশিত বিশ্বসেরা ২ শতাংশ বিজ্ঞান  গবেষকের তালিকায় স্থান করে নিয়েছেন সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) ৮ জন শিক্ষক।

Manual6 Ad Code

 

Manual4 Ad Code

বুধবার (৭ অক্টোবর) শীর্ষস্থানীয় চিকিৎসা ও বিজ্ঞানবিষয়ক প্রকাশনা সংস্থা এলসেভিয়ার এই তালিকা প্রকাশ করেছে।

 

Manual1 Ad Code

প্রকাশিত তালিকায় শাবিপ্রবির যেসব শিক্ষক স্থান পেয়েছেন তারা হলেন- ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যান্ড প্রোডাকশন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মোস্তাফিজুর রহমান, কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড পলিমার সায়েন্স বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক ড. মো. আখতারুল ইসলাম, পরিসংখ্যান বিভাগের অধ্যাপক ড. জামাল উদ্দিন, রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আবদুস সুবহান ও অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান খান, বায়োকেমিস্ট্রি অ্যান্ড মলিকুলার বায়োলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. নুরশাদ আলী, একই বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. অজিত ঘোষ এবং জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. জাবেদ ফয়সাল।

Manual7 Ad Code

 

উল্লেখ্য, এলসেভিয়ার ওয়েবসাইট সূত্রে জানা যায়, গবেষকদের প্রকাশিত গবেষণাপত্র, সাইটেশন, এইচ-ইনডেক্স, কনসিস্টেন্সি এবং সহ-লেখকদের প্রভাবের ওপর ভিত্তি করে এই তালিকা তৈরি করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক এই তালিকা তৈরিতে মূলত গবেষণার গুণগত মান, গ্রহণযোগ্যতা ও বৈশ্বিক প্রভাবকে প্রাধান্য দেওয়া হয়। এলসেভিয়ারের নিবন্ধভিত্তিক তথ্যভাণ্ডার ‘স্কোপাস’-এর ডেটা ব্যবহার করে তৈরি করা গাণিতিক সূচকের মাধ্যমে এটি মূল্যায়ন করা হয়।

 

মূল্যায়নের ক্ষেত্রে গবেষকদের প্রকাশিত নিবন্ধগুলো বিশ্বের অন্যান্য গবেষকরা নিজেদের লেখায় কতবার উদ্ধৃত (সাইটেশন) করেছেন সেই সংখ্যাকে বিশেষভাবে বিবেচনা করা হয়। এর পাশাপাশি গবেষণার পরিমাণ ও উদ্ধৃতির মানদণ্ডের ভারসাম্য সূচক এবং একাধিক লেখকের সহ-গবেষণায় সংশ্লিষ্ট গবেষকের সুনির্দিষ্ট অবদান মাপার যৌথ-লেখকভিত্তিক সূচকও হিসাব করা হয়। একই সাথে প্রধান গবেষক হিসেবে প্রকাশিত প্রবন্ধের একক প্রভাব পর্যালোচনা করা হয়। পুরো প্রক্রিয়াটিতে গবেষকদের মূল ২২টি শাখা এবং ১৭৪টি উপ-শাখায় বিন্যস্ত করা হয়। গবেষকদের এই স্বীকৃতি প্রদান করা হয় মূলত দুটি ভিন্ন ক্যাটাগরিতে। একটি হলো তাদের সম্পূর্ণ কর্মজীবনের সামগ্রিক প্রভাব, আর অন্যটি হলো সাম্প্রতিক একটি একক বছরের গবেষণা প্রভাব।

 

(সুরমামেইল/এফএ)


সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

Manual1 Ad Code
Manual7 Ad Code