তাহিরপুরে এতিম শালিকাকে নিয়ে বন্ধুরা মিলে গণধর্ষণ

প্রকাশিত: ১১:৪৮ পূর্বাহ্ণ, অক্টোবর ১, ২০১৬

তাহিরপুরে এতিম শালিকাকে নিয়ে বন্ধুরা মিলে গণধর্ষণ

Manual4 Ad Code

download

Manual4 Ad Code

নিজস্ব প্রতিনিধি :: সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে ভগ্নিপতি ও তার সহযোগীরা ১২ বছরের এক এতিম কিশোরীকে নির্জন বােতে নিয়ে গণধর্ষণ করেছে। এর চারদিন পেরিয়ে গেলেও শুক্রবার পর্যন্ত ধর্ষিতা কিশোরীকে গ্রাম্য সালিশের নামে আটকে রেখে চিকিৎসাগ্রহণ ও আইনি সহযোগিতা নিতে দিচ্ছে না ধর্ষকরা।

Manual6 Ad Code

সূত্র জানায়, উপজেলার বাদাঘাট ইউনিয়নের বাদাঘাট বাণিজ্যিক কেন্দ্রের বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে হাওরের এক পেশাদার পতিতালয়ের বাড়িতে ওই গণধর্ষণ হয় সোমবার রাতে।

ভিকটিমের স্বজনরা জানায়, উপজেলার বড়দল উত্তর ইউনিয়নের মাণিগাঁও গ্রামের পিতৃহীন ও মানসিক ভারসাম্যহীন মায়ের কাছে থাকা ওই কিশোরীকে সোমবার তার চাচাত বোন বেড়ানোর কথা বলে বাদাঘাটের কুনাট গ্রামে স্বামী আলমাসের বাড়িতে নিয়ে যায়।

Manual2 Ad Code

রাতে আলমাস ওই কিশোরীকে নতুন জামাকাপড় কিনে দেয়ার কথা বলে গালর্স স্কুলের সামনের হাওরে থাকা এক চিহ্নিত জসীম উদ্দিন ও রুপজীবিনী স্ত্রী বিলকিসের নির্জন বাড়িতে নিয়ে যায়।

সেখানে রাতে ভগ্নিপতি আলমাসসহ ছয় লম্পট ওই কিশোরীকে পালাক্রমে গণধর্ষণ করে। এতে এক পর্যায়ে কিশোরীর ব্যাপক রক্ষক্ষরণে সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়ে। এ অবস্থায় বুধবার রাতেও ভয়-ভীতি দেখিয়ে আটকে রেখে দ্বিতীয় দফায় ওই ৬ লম্পট ওই কিশোরিকে গণধর্ষণ করে বলে অভিযোগ মিলেছে।

পারিবারিক সূত্র আরো জানায়, বৃহস্পতিবার ভোরবেলা ওই বাড়ি থেকে পালিয়ে কিশোরী পাশের ঘাগড়া গ্রামে তার এক দরিদ্র চাচার বাড়িতে আশ্রয় নেয়।

এদিকে আত্মীয়-স্বজনদের নিকট গণধর্ষণের কথা জানালেও লম্পট ভগ্নিপতি আলমাস, তার সহোদর আক্তার, রতনসহ ধর্ষণকারীরা গ্রাম্য সালিশে বিষয়টি নিষ্পত্তি করার জন্য চাঁপ সৃষ্টি করে ওই কিশোরীকে নজরধারীতে রাখে।

শুক্রবার সকাল থেকে অসুস্থ্য ওই কিশোরীকে তার স্বজনদের নিয়ে কয়েকদফা চেষ্টা করে চিকিৎসা সেবা নিতে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও আইনি সহায়তা পেতে থানায় যেতে চাইলে ধর্ষণকারীরা নানা ভয়ভীতি ও বাধা সৃষ্টি করে ঘাগড়া গ্রামেই ধর্ষিতা এতিম কিশোরীকে অবরুদ্ধ করে রাখে।

ভিকটিম তার স্বজনের মুঠোফোনে শুক্রবার বেলা দু’টার দিকে এ প্রতিনিধিকে কাঁন্না জড়িত কন্ঠে ঘটনাটি নিশ্চিত করে পুলিশ পাঠিয়ে তাকে উদ্ধারের জন্য আকুতি জানিয়ে চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে বলে।

থানার ওসি মো: শহীদুল্লাহকে বিষয়টি অবহিত করা হলে তিনি বলেন, ঘটনা সত্য হয়ে থাকলে ২৪ ঘণ্টটার ভেতর কিশোরীকে উদ্ধার করে চিকিৎসাসেবা ও আইনি সহায়তা দেয়া হবে।

Manual6 Ad Code

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

Manual1 Ad Code
Manual2 Ad Code