সিলেট ২৫শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১১ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ৩:৪৯ অপরাহ্ণ, জুন ৫, ২০১৬
সুরমা মেইল নিউজ : বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ব্যবসা-বাণিজ্য বাড়ানোর জন্য বিদ্যমান বাণিজ্যিক অবকাঠামোগত দুর্বলতা অপসারণের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন ত্রিপুরা সফররত শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু।
তিনি বলেন, এ লক্ষ্যে স্থল বন্দরগুলোতে আধুনিক লজিস্টিক ও গুদাম সুবিধা গড়ে তোলার পাশাপাশি ম্যানুয়াল কাস্টমস কার্যক্রমের পরিবর্তে স্বয়ংক্রিয় ক্লিয়ারেন্স পদ্ধতি চালু করতে হবে। বন্দর সংলগ্ন স্থানে মান সম্পর্কিত পরীক্ষাগার স্থাপনের মাধ্যমে নিরাপত্তার অজুহাতে পণ্য পরীক্ষণের নামে অযথা সময় ক্ষেপনের প্রবণতা পরিহার করার পরামর্শ দেন তিনি।
শনিবার ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের আগরতলায় অনুষ্ঠিত ইনভেস্ট ত্রিপুরা শীর্ষক বিনিয়োগ সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তৃতাকালে এ গুরুত্বারোপ করেন। দ্যা অ্যাসোসিটেড চেম্বার্স অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি অব ইন্ডিয়া এ সম্মেলন আয়োজন করে। ত্রিপুরা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শ্রী মানিক সরকার এতে প্রধান অতিথি ছিলেন।
সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে ভারত সরকারের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় অঞ্চলের উন্নয়ন বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ড. জিতেন্দ্র সিং, ত্রিপুরা রাজ্যের শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী শ্রী তপন চক্রবর্তীসহ ভারতে নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, সরকারি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, শিল্প উদ্যোক্তা ও ব্যবসায়ী নেতারা অংশ নেন।
আমু বলেন, বাংলাদেশ-ভারতের আধুনিক প্রযুক্তিভিত্তিক মাঝারি ও ভারি শিল্পের অংশীদার হতে ইচ্ছুক। শিল্পায়নে ভারতীয় ব্যবসায়ী সমাজ এগিয়ে এলে, দু’দেশের মাঝে বিরাজমান বৈদেশিক বাণিজ্যের ভারসাম্যহীনতা ধীরে ধীরে কমে আসবে। তিনি ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে পণ্যের গুণ ও মান সম্পর্কিত প্রতিবন্ধকতা দূরীকরণ, সমন্বিত আন্তঃসীমানা ব্যবস্থাপনা জোরদার এবং প্যারাট্যারিফ ও ননট্যারিফ প্রতিবন্ধকতা পরিহারের জন্য দু’দেশের পক্ষ থেকেই আন্তরিক উদ্যোগ গ্রহণের ওপর জোর দেন।
শিল্প আমু বলেন, ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চল, বাংলাদেশ এবং ভারতের অন্যান্য প্রদেশের সাথে কার্যকর কানেকটিভিটি জোরদারে বাংলাদেশ আন্তরিকভাবে কাজ করছে। উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোর সাথে নতুন সড়ক ও রেল যোগাযোগ স্থাপনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। নতুন ল্যান্ড কাস্টমস্ স্টেশন/ল্যান্ড পোর্ট স্থাপন ও পুরাতনগুলো পুনরায় চালু হচ্ছে। ফেনী নদীর ওপর সেতু নির্মাণ এবং বাংলাদেশের আখাউড়া ও ভারতের আগরতলার মধ্যে রেল যোগাযোগ স্থাপনের কাজ চলছে। এছাড়া রামগড়-সাব্র“ম এবং দিমাগিরি-তেগামুখ বর্ডার পয়েন্টের উন্নয়ন কাজও এগিয়ে চলছে।
শিল্পমন্ত্রী বলেন, দক্ষিণ এশিয়া মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল (সাফটা) কার্যকর হলে, বাংলাদেশে বিনিয়োগকারিদের উৎপাদিত পণ্য ভারত, ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন, জাপানসহ অধিকাংশ উন্নত দেশে শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার পাবে। বর্তমানে বিদেশি বিনিয়োগকারিরা ১০০% ইকুইটি ওনারশিপ ভোগ করছে এবং তারা মুনাফার শতভাগ নিজ দেশে নিয়ে যেতে পারছেন। বাংলাদেশ সরকার বিদেশি বিনিয়োগকারিদের জন্য ১০০টি ইকোনোমিক জোন গড়ে তুলছে।
পাশাপাশি সড়ক, মহাসড়ক, বন্দরসহ যোগাযোগ অবকাঠামো গড়ে তোলা হচ্ছে। তিনি বাংলাদেশের টেলিযোগাযোগ, সফ্টওয়্যার নির্মাণ, প্রাকৃতিক সম্পদ আহরণ, জাহাজ নির্মাণ, হিমায়িত মৎস্য, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, সিরামিক, ওষুধ, প্লাস্টিক, ফার্নিচার, হোম টেক্সটাইল, পাট ও পাটজাত পণ্য, কৃষিভিত্তিক পণ্য, পর্যটন ও বিজনেস প্রসেস আউট সোর্সিং, অটোমোবাইল, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, আইসিটি নবানয়যোগ্য জ্বালানি, মহাকাশ গবেষণাসহ উদীয়মান খাতগুলোতে বিনিয়োগের ভবিষ্যত উজ্জ্বল বলে মন্তব্য করেন। এ বিনিয়োগ সম্ভাবনা কাজে লাগাতে তিনি দু’দেশের শিল্প উদ্যোক্তা ও ব্যবসায়ীদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার অাহ্বান জানান।
প্রধান উপদেষ্টাঃ ফয়েজ আহমদ দৌলত
উপদেষ্টাঃ খালেদুল ইসলাম কোহিনূর
উপদেষ্টাঃ মোঃ মিটু মিয়া
উপদেষ্টাঃ অর্জুন ঘোষ
আইন বিষয়ক উপদেষ্টাঃ এড. মোঃ রফিক আহমদ
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি : মোহাম্মদ হানিফ
সম্পাদক ও প্রকাশক : বীথি রানী কর
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : ফয়সাল আহমদ
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: কামরুল হাসান
নিউজ ইনচার্জ : সুনির্মল সেন
অফিস : রংমহল টাওয়ার (৪র্থ তলা),
বন্দর বাজার, সিলেট।
মোবাইল : ০১৭১৬-৯৭০৬৯৮
E-mail: surmamail1@gmail.com
Copyright-2015
Design and developed by ওয়েব হোম বিডি