সিলেট ৯ই অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৪শে আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ৫:৫৩ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ২১, ২০২২
রাঙামাটি প্রতিনিধি :
শরীরে প্রচন্ডজ্বর নিয়ে নানিয়ারচরে খেলতে যাওয়া পাহাড়ি সর্পিল পথের ভূঁইয়ো আদাম গ্রাম’র সেইদিনের সেই ছোট্ট মেয়েটি আজকের মহা-তারকা রূপনা চাকমা। সাফ ফুটবলে তাঁর জীবনের অর্জন-উল্থান নিয়ে স্বজনদের প্রতিক্রয়া তুলে ধরা হলো।
সাফ ফুটবল বিজয়ী ছোটবোন রূপনা চাকমা’র সাফল্যে বড়ভাই জীবন চাকমা’র প্রতিক্রিয়া- ”রূপনা ছোটবেলা থেকে খেলাধূলা পছন্দ করতো এবং খেলা খেলার জন্য বন্ধু ছেলেদের সাথে মিশতো। মায়ের কাছ শুনেছি, সাফ ফুটবলে বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। গাঁয়ের লোকেরা রূপনা’র প্রশংসা করছে। রূপনার উল্থানের পেছনের মূল কারিগর হলেন, ঘাগড়ার শান্তি মনি চাকমা ও বীরসেন চাকমা। তারাই রূপনার প্রথম জীবন অর্থাৎ ছোটবেলায় হাজাছড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে থাকাকালীন সময়ে সমস্থ খরচ বহন করে। এরপর ঘাগড়াতে নিয়ে গিয়েছিলো। এই দূ’জনের ছাঁয়াতেই রূপনা’র বেড়ে ওঠা বা আজকের দিনের দেশের স্বপ্ন-ইতিহাস গড়া।
ছোটবেলা থেকে সে খেলাধূলা নিয়ে মেতে থাকতো। খেলাধুলার প্রতি প্রবল আগ্রহের বহিঃপ্রকাশ সম্পর্কে এই বীর কন্যার গর্বিত মা কালাসোনা চাকমা বলেন, শরীরে প্রচন্ডজ্বর নিয়ে সে ২০১২ সালে নানিয়ারচর উপজেলা সদরে ফুটবল খেলা খেলতে গিয়ে ছিলো। সেখানেই দেশের মুখ উজ্জল করা এই মহা তারকাকে আবিষ্কার করেন বীরসেন চাকমা ও শান্তি মনি চাকমা। তাঁদের ছাঁয়ায় সে কাউখালী উপজেলার ঘাগড়াতে যায় । সেখান থেকেই রূপনা চাকমা’র জীবনে উন্নতির সূচনা ঘটতে থাকে।
উন্নতির বর্ণনার পাশাপাশি পাহাড়ের বীর কন্যা রূপনার মা কালা সোনা চাকমা আক্ষেপ করে আরো বলেন,‘গতবারও অনূর্ধ্ব ১৪’তে রূপনা চাকমা ও তার দল চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলো। কিন্তু রূপনার প্রতিভাকে টিকিয়ে রাখতে জেলা প্রশাসন, জেলা ক্রীড়া সংস্থা বা অন্য কোন সরকারী-বেসরকারী প্রতিষ্ঠান থেকে কেউ এগিয়ে আসেনি। পাশে দাঁড়ায়নি কেউ। শুধুমাত্র শান্তি মনি চাকমা, বীরসেন চাকমা ও আনসার ভিডিপি কোচ সুইলা মং মারমাই তার পাশে ছিলেন।
Design and developed by ওয়েব হোম বিডি