আরেক দফা বাড়ছে গ্যাসের দাম বাড়ানো হচ্ছে

প্রকাশিত: ৬:৪৪ পূর্বাহ্ণ, জুন ২০, ২০১৬

আরেক দফা বাড়ছে গ্যাসের দাম বাড়ানো হচ্ছে

Manual1 Ad Code

images (2)সুরমা মেইল নিউজ : বছর না ঘুরতেই আবার গ্যাসের দাম বাড়ানোর তোড়জোড় শুরু হয়েছে। গৃহস্থালি ব্যবহারের ক্ষেত্রে দুই চুলার জন্য মাসিক বিল ১ হাজার ২০০ টাকা এবং এক চুলার জন্য ১ হাজার টাকা করার প্রস্তাব করা হয়েছে। এ ছাড়া সিএনজির দাম প্রতি ঘনমিটার ৩৫ থেকে বাড়িয়ে ৫৮ টাকা করার কথা বলা হয়েছে।

বিতরণ কোম্পানিগুলোর দেওয়া গ্যাসের এই বর্ধিত দামের প্রস্তাব দ্রুত নিষ্পত্তি করার উদ্যোগ নিয়েছে এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। এর অংশ হিসেবে চলতি মাসেই গণশুনানির আয়োজন করা হতে পারে। জ্বালানি মন্ত্রণালয় ও বিইআরসি সূত্রে এ খবর জানা গেছে।

গত নভেম্বর থেকে মার্চ মাসের মধ্যে বিতরণ কোম্পানিগুলো বিইআরসির কাছে সব শ্রেণির গ্রাহক পর্যায়ে দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দেয়। বিষয়টি সম্পর্কে জানতে চাইলে বিইআরসির চেয়ারম্যান এ আর খান গতকাল শনিবার বলেন, সব কোম্পানির কাছ থেকে পাওয়া গ্যাসের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব বিইআরসির অভ্যন্তরীণ বিশেষজ্ঞ দল পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেছে। এখন প্রস্তাবগুলো নিয়ে গণশুনানির আয়োজন করা হবে। ঈদের আগেই তা হতে পারে।
বিইআরসির সূত্র বলেছে, এবার সব গ্রাহকশ্রেণির ক্ষেত্রেই গ্যাসের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব এসেছে। বাসাবাড়ি ও সিএনজি ছাড়া অন্যান্য ক্ষেত্রে গ্যাসের দাম ১০ থেকে ৩০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানো প্রয়োজন বলে আবেদন করেছে সংশ্লিষ্ট কোম্পানিগুলো।

Manual2 Ad Code

এর আগে, গত বছরের ১ সেপ্টেম্বর থেকে আবাসিকসহ কয়েকটি শ্রেণির গ্রাহকের গ্যাসের দাম বাড়ানো হয়। তখন দুই চুলার বিল ৪৫০ থেকে বাড়িয়ে ৬৫০ টাকা এবং এক চুলার বিল ৪০০ থেকে বাড়িয়ে ৬০০ টাকা করা হয়েছিল। বিইআরসি আইন, ২০০৩ অনুযায়ী কোনো সংস্থা এক বছরের মধ্যে দুবার দাম বাড়ানোর আবেদন করতে পারে না।

Manual4 Ad Code

জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের সূত্র জানিয়েছে, সরকার বাসাবাড়িতে নতুন করে গ্যাস-সংযোগ তো বন্ধ করেছেই, এখন পাইপলাইন গ্যাসের ব্যবহারও নিরুৎসাহিত করতে চায়। এ ছাড়া দেশের অধিকাংশ মানুষ পাইপলাইনের গ্যাস পায় না। তাদের অনেকেই বিকল্প হিসেবে এলপি গ্যাস ব্যবহার করে, যার দাম অনেক বেশি। এই দুই ধরনের ব্যবহারকারীর মধ্যে বৈষম্য কমানোও সরকারের অন্যতম লক্ষ্য। সে কারণে বাসাবাড়ির গ্যাসের দাম বেশি বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়ে থাকতে পারে।

Manual8 Ad Code

ওই সূত্র বলছে, সিএনজির দাম বাড়ানো হবে যানবাহনে ব্যবহৃত তরল জ্বালানির (পেট্রল, অকটেন) দামের সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখার জন্য। এর আরেকটি উদ্দেশ্য, দ্রুত কমে আসা দেশের গ্যাসের ওপর থেকে বাড়তি চাহিদার চাপ কমানো।

Manual7 Ad Code

সব গ্রাহকশ্রেণির গ্যাসের দাম সর্বশেষ বাড়ানো হয় ২০০৯ সালের জানুয়ারিতে। তারপর গত বছরের সেপ্টেম্বরে কোনো কোনো ক্ষেত্রে গ্যাসের দাম বাড়ানো হয়।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

Manual1 Ad Code
Manual7 Ad Code