পেটের মেদ কমানোর সহজ উপায়

প্রকাশিত: ৪:৩৬ পূর্বাহ্ণ, জুন ২৪, ২০১৬

পেটের মেদ কমানোর সহজ উপায়

Manual8 Ad Code

1-76-300x180

লাইফস্টাইল ডেস্ক : পেটের মেদ নিয়ে সমস্যায় ভোগেন অনেকেই। স্বাস্থ্য ভালো হোক বা মন্দ, পেটের মেদ একবার বাড়তে শুরু করলে যেন আর কমতে চায় না। নানা রকম উপায় বেছে নিয়েও যখন পেটের মেদ কমানো যায় না, তখন দুশ্চিন্তায় পড়াটাই স্বাভাবিক। তবে দুশ্চিন্তা না করে আপনার প্রতিদিনের করণীয় কাজগুলোর মাধ্যমেই কমাতে পারেন পেটের মেদ। চলুন জেনে নিই-

স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার পাশাপাশি দৈনন্দিন একটু হাঁটাহাঁটি করুন। সপ্তাহে অন্তত ৩ দিন ৩০ মিনিট জোরে জোরে হাঁটুন। বাকি দিন গুলো ঘরের মাঝে হালকা পায়চারী করুন। পেটের মেদ দ্রুত কমবে।

Manual8 Ad Code

প্রতিদিন গ্রিন টি- দিনে কমপক্ষে দুই কাপ বা তার বেশি গ্রিন টি পান করুন। গ্রিন টি চর্বি পোড়াতে ও পেটের মেদ কমাতে খুবই সহায়ক।

কয়েকটি বিশেষ উপাদান খাদ্য তালিকায় যোগ করুন, যেমন- Monounsaturated fatty acids (MUFAs) ও polyunsaturated fatty acids (PUFAs) সমৃদ্ধ খাবার। যেমন, এক মুঠো কাঠ বাদাম না অ্যাভোকাডো, অলিভ অয়েল না সানফ্লাওয়ার অয়েল।

Manual5 Ad Code

খাদ্যাভ্যাসে খাদ্য তালিকা থেকে কার্বোহাইড্রেট ও চিনি জাতীয় খাবার কমিয়ে অর্ধেক করে ফেলুন, তার জায়গায় রাখুন প্রোটিন ও তাজা ফল। আর কার্বোহাইড্রেট খেলেও স্বাস্থ্যকর অপশন বেছে নিন। যেমন লাল আটা ও লাল চাল। করনফ্লেক্স জাতীয় খাবার বাদ দিয়ে দিন।

সকালের নাস্তায় রোজকার খাবারের বাদ দিয়ে খাওয়া শুরু করুন ওটমিল, সাথে যোগ করুন তাজা কোন ফল। ওটমিলে আছে উচ্চ মাত্রায় ফাইবার যা পেটের মেদ কমাতে অত্যন্ত সহায়ক। তাই সকাল শুরু করুন এই ভালো খাবারটি দিয়ে।

Manual1 Ad Code

ঘরের কিছু কাজ নিজেই করুন যা পেটের মেদ কমাতে খুবই কার্যকর। যে কোন জিমের চাইতে অনেক ভালো ফল পাবেন। যেমন ঘর মোছা, বিছানা করা, কাপড় ধোয়া, জানালা পরিষ্কার ইতাদি।

Manual6 Ad Code

ক্ষুধা পেলে তাজা ফলের সাথে এক বাটি টক দই খেয়ে নিন। যখনই ক্ষুধা পাবে, এই কাজটিই করুন। এটিই হয়ে উঠুক আপনার স্বাস্থ্যকর নাস্তা। টকদই কেবল অল্প ক্যালোরিতে আপনার ক্ষুধাই মেটাবে না। একই সাথে পেটের মেদ কমাতেও দারুণ সহায়তা করবে।

যারা কম ঘুমান বা অনেক রাত জাগেন, তাঁদের ওজন কোন কারণ ছাড়াই হু হু করে বাড়তে থাকে। বিশেষ করে পেটের মেদ। তাই পেটের মেদ কম করতে পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুমাতে হবে অবশ্যই, আর বেশি রাত জাগা চলবে না মোটেও। সেই সাথে স্ট্রেস ফ্রি জীবন যাপনের চেষ্টা করুন। স্ট্রেসও ওজন বাড়ায়।

সংবাদটি শেয়ার করুন
Manual1 Ad Code
Manual7 Ad Code