কিভাবে নেবেন আপনার কণ্ঠের যত্ন?

প্রকাশিত: ৪:৫৭ পূর্বাহ্ণ, জুন ২৪, ২০১৬

কিভাবে নেবেন আপনার কণ্ঠের যত্ন?

Manual4 Ad Code

17618-voice

Manual5 Ad Code

লাইফস্টাইল ডেস্ক : কণ্ঠ আপনার একটি অনন্য এবং অতি প্রয়োজনীয় যন্ত্র। যার মাধ্যমে আপনি আপনার মনের কথা ব্যক্ত করা থেকে শুরু করে বিভিন্নজনের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করে থাকেন। তবে আপনার সামান্য অবহেলা কিংবা যত্নের অভাব এই কণ্ঠকে করতে পারে নানা রোগের এবং সমস্যার সম্মুখীন। চলুন জেনে নেই কণ্ঠের যত্ন করণীয় কাজগুলো-

Manual5 Ad Code

কণ্ঠনালীকে সবসময় ভেজা রাখুন : যখন আপনি কথা বলেন কিংবা গান করেন তখন আপনার ফোনেশান প্রক্রিয়া সচল হয়। বাতাস যখন আপনার স্বরযন্ত্র এবং স্বরতন্ত্রী দিয়ে যায় তখন তা দুলে উঠে এবং আপনার গলার ভেতর শব্দ উৎপন্ন হয়। আবার যখন বাতাস বাইরে চলে যায় তখন গলার ভেতরের অংশটি শুষ্ক হয়ে যায়। তাই শব্দ তৈরির সময় স্বরতন্ত্রী একে অন্যকে আঘাত করে, যা সামান্য তাপ উৎপন্ন করে। এটি আপনার কণ্ঠনালীকে শুষ্ক করে তুলে। তাই যারা গান করেন বা দীর্ঘ সময় ধরে কথা বলেন তারা একটু পরপর পানি খেয়ে কণ্ঠনালীকে ভেজা রাখুন।

কণ্ঠনালীকে অল্প সময় উষ্ণ রাখুন : কণ্ঠনালীর উপর সারা দিন কতই না ধকল যায়। তাই এর পেশীদ্বয়কে সচল রাখতে প্রয়োজন কমপক্ষে ১০ মিনিটের উষ্ণতা প্রয়োজন। তাই গরম পানি পান করুন কিংবা তা দিয়ে গড়গড়া করুন। এতে আপনার কণ্ঠনালীর পেশীগুলো সচল হবে এবং কথা বলার সময় বেশি চাপ প্রয়োগ করতে হবে না।

চিত্কার করে কিংবা উচ্চ স্বরে কথা বলবেন না : কণ্ঠের যত্নে এটি অন্যতম কাজ। উচ্চ স্বরে কথা বললে তা অনেক সময় কণ্ঠনালীতে সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে।

Manual7 Ad Code

কণ্ঠস্বরের অপব্যবহার করবেন না : কথা বলার সময় কণ্ঠনালী ১৮০ বারের মতো আন্দোলিত হয়। যা উচ্চস্বরে কথা বলের সময় আরো বেশি। তাই ধীরে ধীরে কথা বলা উচিত। উচ্চস্বরে কথা না বলাই ভালো।

বিশ্রাম : আপনার মতো আপনার কণ্ঠস্বরও ক্লান্ত হতে পারে। তাই দীর্ঘ সময় কথা বলার পর এবং গান গাইলে প্রতি ১ ঘণ্টা পর কিছু সময়ের জন্য বিশ্রাম নিন।

Manual5 Ad Code

সংবাদটি শেয়ার করুন
Manual1 Ad Code
Manual6 Ad Code